(২৫) আমি আপনার পূর্বে এমন কোনো রসূল প্রেরণ করিনি, যাঁর প্রতি আমি এই মর্মে ওহী প্রেরণ করিনি যে, “আমি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। সুতরাং তোমরা আমারই উপাসনা করো।” (২১. আল আম্বিয়া : ২৫)
- ব্যাখ্যা
(২৬) তারা বলে, “দয়াময় আল্লাহ, ফেরেশতাদেরকে সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেছেন।” তাঁরই সব পবিত্রতা। বরং ফেরেশতারা হচ্ছে আল্লাহর সম্মানিত বান্দা। (২১. আল আম্বিয়া : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৮) ফেরেশতাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে আল্লাহ তা জানেন। যাদের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট, তাদেরকে ব্যতীত ফেরেশতারা অন্য কারো জন্যে সুপারিশ করে না। আর ফেরেশতারা আল্লাহর ভয়ের কারণে সর্বদাই ভীত থাকে। (২১. আল আম্বিয়া : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(২৯) ফেরেশতাদের মধ্যে কেউ যদি এমন কথা বলে যে, “নিশ্চয় আল্লাহ ব্যতীত আমিই উপাস্য”, সেক্ষেত্রে আমি তাকে দোযখের শাস্তি দিবো। আমি এভাবেই অন্যায়কারীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি। (২১. আল আম্বিয়া : ২৯)
- ব্যাখ্যা
(৩০) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে তারা কি তবে ভেবে দেখে না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল উভয়ের মুখ বন্ধ ছিলো, তারপর আমি উভয়ের মুখ খুলে দিলাম আর জীবন্ত সব কিছুকে আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। তবুও কি তারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করবে না? (২১. আল আম্বিয়া : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) আমি পৃথিবীর মধ্যে পাহাড় বানিয়েছি, যেনো মানুষদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে। আমি তার মধ্যে প্রশস্ত পথ বানিয়েছি, যেনো মানুষ পথ প্রাপ্ত হয়। (২১. আল আম্বিয়া : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) আপনার পূর্বেও কোনো মানুষকে আমি চিরস্থায়ী জীবন দান করিনি। সুতরাং যদি আপনার মৃত্যু হয়, তবে কি তারা চিরস্থায়ী হবে? (২১. আল আম্বিয়া : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি। বস্তুত আমার কাছেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে। (২১. আল আম্বিয়া : ৩৫)
- ব্যাখ্যা