(১৩) তাদেরকে বলা হয়ে ছিলো, “তোমরা আমার শাস্তি থেকে পালিয়ো না। আর তোমরা তোমাদের ঘরের দিকে ফিরে এসো, যেখানে তোমরা বিলাসিতায় মত্ত ছিলে। যেনো তোমাদেরকে তোমাদের কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা যেতে পারে।” (২১. আল আম্বিয়া : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৫) ফলে তাদের এই আর্তনাদ কখনোই থামেনি, যে পর্যন্ত না, আমি তাদেরকে কাটা শস্যের ন্যায় ও নিভানো আগুনের ন্যায় বানিয়ে ছিলাম। (২১. আল আম্বিয়া : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৭) আমি যদি চাইতাম যে, খেলার উপকরণ গ্রহণ করতে, তবে আমার কাছে যা আছে, তা থেকেই আমি তা গ্রহণ করতাম, যদি আমাকে তা করতে হতো। (২১. আল আম্বিয়া : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপরে নিক্ষেপ করি, তারপর সত্য মিথ্যাকে চুর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, ফলে মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা আল্লাহর প্রতি যে মিথ্যা রচনা করো, ঐ কারণে তোমাদের জন্যে দুর্ভোগ। (২১. আল আম্বিয়া : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের মধ্যে যারা আছে, তারা সবাই তাঁর জন্যেই। আল্লাহর নিকটবর্তী ফেরেশতারা তাঁর উপাসনা করতে অহঙ্কার করে না আর তারা ক্লান্তও হয় না। (২১. আল আম্বিয়া : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২২) যদি এই নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের মধ্যে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য থাকতো, তবে উভয়ে ধ্বংস হয়ে যেতো। অতএব সিংহাসনের অধিপতি আল্লাহ ঐ অপবাদ থেকে পবিত্র, যা তারা মিথ্যা রচনা করে। (২১. আল আম্বিয়া : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৪) তবে কি তারা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে অন্যান্য উপাস্যদেরকে গ্রহণ করেছে? আপনি বলুন, “তোমরা তোমাদের প্রমাণ নিয়ে এসো। এ কুরআন, তাদের জন্যে উপদেশ, যারা আমার সঙ্গে রয়েছে। আর পূর্বের গ্রন্থ সমূহ, তাদের জন্যে উপদেশ, যারা আমার পূর্বে ছিলো।” বরং তাদের অধিকাংশই সত্য জানে না। সুতরাং তারা কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। (২১. আল আম্বিয়া : ২৪)
- ব্যাখ্যা