(১২৭) এইভাবে আমি তাকে প্রতিদান দেই, যে বাড়াবাড়ি করে ও তার প্রভুর বাণী সমূহে বিশ্বাস করে না। বস্তুত পরকালের শাস্তি বড় কঠোর ও দীর্ঘস্থায়ী। (২০. ত্বোয়া-হা : ১২৭)
- ব্যাখ্যা
(১২৮) তবে এ উপমা কি তাদেরকে সৎপথ দেখায় না যে, আমি তাদের পূর্বে কত জাতিকে ধ্বংস করেছি, যাদের বাসভূমিতে তারা বিচরণ করে? নিশ্চয় এর মধ্যে বুদ্ধিমানদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (২০. ত্বোয়া-হা : ১২৮)
- ব্যাখ্যা
(১২৯) আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে একটি সিদ্ধান্ত যদি পূর্বে থেকেই সাব্যস্ত না থাকতো, তবে অবশ্যই শাস্তি অবশ্যম্ভাবী হয়ে যেতো, কিন্তু এ শাস্তির জন্যে একটি নির্ধারিত কাল নির্দিষ্ট রয়েছে। (২০. ত্বোয়া-হা : ১২৯)
- ব্যাখ্যা
(১৩০) সুতরাং তারা যা বলে, সেই বিষয়ের উপরে আপনি ধৈর্য্যধারণ করুন। আর আপনি আপনার প্রভুর পবিত্রতা সহকারে প্রশংসা করুন ও নামায পড়ুন, সূর্য উদয়ের পূর্বে ফজরের সময় ও সূর্য অস্ত যাবার পূর্বে যোহর ও আছরের সময়। আর রাতের কিছু অংশে এশার সময় ও দিনের প্রান্ত ভাগে মাগরিবের সময় আপনি আল্লাহর প্রশংসা করুন, যেনো আল্লাহর অনুগ্রহ আপনার উপরে এমন ভাবে বর্ষিত হয় যে, আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যান। (২০. ত্বোয়া-হা : ১৩০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৩১) আপনি ঐ সম্পদের প্রতি আপনার চোখ নিক্ষেপ করবেন না, যে সম্পদকে আমি তাদের মধ্যে কিছু দম্পতিকে পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য স্বরূপ ভোগের জন্যে দিয়েছি। যেনো আমি ঐ সম্পদ দ্বারা তাদেরকে পরীক্ষা করতে পারি। বস্তুত আপনার প্রভুর দেওয়া জীবিকা উৎকৃষ্ট ও অধিক স্থায়ী। (২০. ত্বোয়া-হা : ১৩১)
- ব্যাখ্যা
(১৩২) আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাযের আদেশ দিন আর নিজেও নামাযের উপরে অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোনো জীবিকা চাই না, বরং আমিই আপনাকে জীবিকা দেই। আর আপনি জেনে রাখুন যে, আল্লাহকে ভয় করার পরিণাম হচ্ছে শুভ। (২০. ত্বোয়া-হা : ১৩২)
- ব্যাখ্যা
(১৩৩) তারা বলে যে, “তিনি আমাদের কাছে তাঁর প্রভুর পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন নিয়ে আসেন না কেনো?” তাদের কাছে কি প্রমাণ স্বরূপ কুরআন আসেনি, যে কুরআন সম্পর্কে পূর্ববর্তী গ্রন্থ সমূহের মধ্যে বর্ণনা বিদ্যমান রয়েছে? (২০. ত্বোয়া-হা : ১৩৩)
- ব্যাখ্যা
(১৩৪) আমি যদি কুরআন নাযিলের আগে তাদেরকে কোনো শাস্তি দ্বারা ধ্বংস করতাম, তবে তারা অবশ্যই বলতো যে, “হে আমাদের প্রভু, কেনো আপনি আমাদের কাছে একজন রসূলকে প্রেরণ করলেন না? তাহলে তো আমরা অপমানিত ও হেয় হওয়ার পূর্বেই আপনার বাণী সমূহকে মেনে চলতাম।” (২০. ত্বোয়া-হা : ১৩৪)
- ব্যাখ্যা