(১১৪) সুতরাং আল্লাহ হচ্ছেন সুউচ্চ, তোমাদের প্রকৃত মালিক। ওহীর মাধ্যমে যখন কুরআন অবতীর্ণ হয়, তখন তা শেষ হওয়ার আগে আপনি কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবেন না। আর আপনি বলুন, “হে আমার প্রভু, আমার জন্যে আমার জ্ঞানকে বৃদ্ধি করুন।” (২০. ত্বোয়া-হা : ১১৪)
- ব্যাখ্যা
(১১৫) অবশ্যই আমি ইতিপূর্বে আদমের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলাম। তারপর সে আমার নির্দেশ ভুলে গিয়েছিলো আর আমি তার মধ্যে দৃঢ়তা পাইনি। (২০. ত্বোয়া-হা : ১১৫)
- ব্যাখ্যা
(১১৬) যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বলেছিলাম, “তোমরা আদমকে সেজদা করো”, তখন ইবলীস ব্যতীত তারা সবাই সেজদা করলো। ইবলীস আমার আদেশকে অমান্য করলো। (২০. ত্বোয়া-হা : ১১৬)
- ব্যাখ্যা
(১১৭) তারপর আমি বলেছিলাম, “হে আদম, নিশ্চয় ইবলীস তোমার ও তোমার স্ত্রীর শত্রু, সুতরাং সে যেনো তোমাদেরকে বেহেশত থেকে বের করে না দেয়। তাহলে তোমরা কষ্টে পতিত হবে। (২০. ত্বোয়া-হা : ১১৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২০) তারপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রনা দিলো, শয়তান বললো, “হে আদম, আমি কি তোমাকে বলে দিবো অনন্তকাল জীবিত থাকার গাছের ব্যাপারে এবং এমন রাজত্বের কথা, যার ক্ষয় নেই?” (২০. ত্বোয়া-হা : ১২০)
- ব্যাখ্যা
(১২১) তারপর তারা উভয়েই নিষিদ্ধ গাছ থেকে ফল আহার করলো। সুতরাং তাদের সামনে তাদের লজ্জাস্থান প্রকাশ পেলো। তারা উভয়ে বেহেশতের গাছের পাতা দিয়ে তাদের নিজেদেরকে ঢাকতে আরম্ভ করলো। আদম তার প্রভুর অবাধ্য হয়েছিলো, ফলে সে পথভ্রষ্ঠ হয়ে গেলো। (২০. ত্বোয়া-হা : ১২১)
- ব্যাখ্যা
(১২৩) আল্লাহ বললেন, “তোমরা উভয়েই এখান থেকে এক সঙ্গে নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু হবে। তারপর যদি আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে কোনো পথ-নির্দেশ আসে, তখন যে ব্যক্তি আমার পথ-নির্দেশ অনুসরণ করবে, তবে সে পথভ্রষ্ঠ হবে না ও কষ্টেও পতিত হবে না। (২০. ত্বোয়া-হা : ১২৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২৪) আর যে ব্যক্তি আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে, তবে নিশ্চয় তার জন্যে সঙ্কুচিত জীবিকা রয়েছে আর আমি তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উঠাবো।” (২০. ত্বোয়া-হা : ১২৪)
- ব্যাখ্যা