(২০৩) আর তোমরা যখন মিনায় অবস্থানরত থাকো, তখন তোমরা নির্ধারিত দিনগুলোতে আল্লাহকে স্মরণ করো। কিন্তু যে ব্যক্তি দুই দিনে মিনা থেকে চলে যাওয়ার জন্যে তাড়াতাড়ি করে, তবে তার উপরে কোনো অপরাধ হবে না। আর তার জন্যে, যে ব্যক্তি দেরী করে ও আল্লাহকে ভয় করে, সুতরাং তার উপরেও কোনো অপরাধ হবে না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও তোমরা জেনে রেখো যে, তোমরা তাঁর কাছেই একত্রিত হবে। (২. আল বাক্বারাহ : ২০৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২০৪) পার্থিব জীবনে মানুষের মধ্যে যে ব্যক্তি তার কথাবার্তার মাধ্যমে আপনাকে অবাক করে দেয় ও সে আল্লাহকে ঐ সম্পর্কে সাক্ষী রাখে, যা তার অন্তরের মধ্যে আছে, অথচ এই ব্যক্তিই হচ্ছে মারাত্মক ঝগড়াটে লোক। (২. আল বাক্বারাহ : ২০৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২০৫) সে যখন তার নিজ জাতির কাছে ফিরে যায়, তখন সে পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে এবং শস্যক্ষেত্র ও পশুপাল বিনষ্ট করতে চেষ্টা করে। অথচ আল্লাহ বিপর্যয় পছন্দ করেন না। (২. আল বাক্বারাহ : ২০৫)
- ব্যাখ্যা
(২০৬) যখন তাকে বলা হয়, “তুমি আল্লাহকে ভয় করো,” তখন তার আত্মমর্যাদা তাকে মজবুত করে ধরে ও তাকে পাপের দিকে নিয়ে যায়। সুতরাং দোযখই তার জন্যে যথেষ্ট প্রাপ্য আর অবশ্যই দোযখ হচ্ছে মন্দ বিছানা। (২. আল বাক্বারাহ : ২০৬)
- ব্যাখ্যা
(২০৭) আর মানুষের মধ্যে এমনো ব্যক্তি আছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে তার নিজের আত্মাকে বিক্রি করে দিয়েছে। বস্তুত আল্লাহ এমন বান্দাদের প্রতি অতি স্নেহময়। (২. আল বাক্বারাহ : ২০৭)
- ব্যাখ্যা
(২০৮) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা পরিপূর্ণ ভাবে ইসলামের মধ্যে প্রবেশ করো ও তোমরা শয়তানের পদচিহ্ন অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (২. আল বাক্বারাহ : ২০৮)
- ব্যাখ্যা
(২০৯) সুতরাং তোমাদের কাছে যে স্পষ্ট নিদর্শন সমূহ এসেছে, এর পরেও যদি তোমরা সত্য ধর্ম থেকে পিছলে পড়ো, তবে তোমরা জেনে রেখো যে, আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (২. আল বাক্বারাহ : ২০৯)
- ব্যাখ্যা
(২১০) অবিশ্বাসীরা এ ছাড়া আর কিসের প্রতীক্ষা করে যে, আল্লাহ ও ফেরেশতারা মেঘের ছায়ায় তাদের কাছে আসবেন আর এর ফলে সব বিষয়ের মীমাংসা হয়ে যাবে? বস্তুত আল্লাহর কাছেই সব বিষয়কে ফিরিয়ে আনা হবে। (২. আল বাক্বারাহ : ২১০)
- ব্যাখ্যা