(৯৯) ইতিপূর্বে যা ঘটেছে, এইভাবে আমি তার কিছু সংবাদ আপনার কাছে বর্ণনা করছি। অবশ্যই আমি আমার পক্ষ থেকে আপনাকে উপদেশ গ্রন্থ হিসেবে কুরআন দিয়েছি। (২০. ত্বোয়া-হা : ৯৯)
- ব্যাখ্যা
(১০৪) আমি সেই বিষয়ে ভালো জানি, যা তারা বলাবলি করবে। যে ব্যক্তি তাদের মধ্যে উত্তম পথের অনুসারী ছিলো, তখন ঐ ব্যক্তি বলবে যে, “তোমরা মাত্র একদিন ব্যতীত, বেশী দিন পৃথিবীতে অবস্থান করোনি।” (২০. ত্বোয়া-হা : ১০৪)
- ব্যাখ্যা
(১০৫) তারা আপনাকে পাহাড় সমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করে। সুতরাং, আপনি বলুন, “আমার প্রভু এই পহাড় সমূহকে কিয়ামতের দিনে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন। (২০. ত্বোয়া-হা : ১০৫)
- ব্যাখ্যা
(১০৮) সেই দিন তারা এক আহবানকারীর অনুসরণ করবে, যার কাজের মধ্যে কোনো বক্রতা থাকবে না এবং দয়াময় আল্লাহর ভয়ে সব শব্দ ক্ষীণ হয়ে যাবে। সুতরাং মৃদু গুঞ্জন ব্যতীত আপনি কিছুই শুনতে পাবেন না। (২০. ত্বোয়া-হা : ১০৮)
- ব্যাখ্যা
(১০৯) সেই দিন কারো সুপারিশ কোনো কাজে আসবে না। তবে ঐ ব্যক্তি ব্যতীত, যাঁকে দয়াময় আল্লাহ সুপারিশ করার অনুমতি দিবেন ও যাঁর কথা তিনি পছন্দ করবেন। (২০. ত্বোয়া-হা : ১০৯)
- ব্যাখ্যা
(১১০) যা কিছু তাদের সামনে আছে ও তাদের পিছনে আছে, আল্লাহ তা জানেন। বস্তুত তারা আল্লাহকে তাদের সীমিত জ্ঞান দ্বারা আয়ত্ত্ব করতে পারে না। (২০. ত্বোয়া-হা : ১১০)
- ব্যাখ্যা
(১১১) কিয়ামতের দিনে সব চেহারা আল্লাহর সামনে বিনয়ে অবনত হবে, যিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। অবশ্যই সেই ব্যক্তি ব্যর্থ হবে, যে ব্যক্তি অন্যায়ের বোঝা বহন করবে। (২০. ত্বোয়া-হা : ১১১)
- ব্যাখ্যা
(১১২) যে কেউ সৎকর্ম করে ও সে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়, সুতরাং সে কোনো অবিচার পাওয়ার ও কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করবে না। (২০. ত্বোয়া-হা : ১১২)
- ব্যাখ্যা
(১১৩) এইভাবেই আমি আরবী ভাষায় কুরআনকে অবতীর্ণ করেছি আর কুরআনের মধ্যে সতর্কবাণী বিস্তারীত বর্ণনা করেছি, যেনো তারা আল্লাহকে ভয় করে। অথবা এ কুরআন যেনো আল্লাহকে স্মরণ করার ব্যপারে তাদের অন্তরের মধ্যে উপদেশ দান করে। (২০. ত্বোয়া-হা : ১১৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস