(৮৮) তারপর সে তাদের জন্যে একটি বাছুর তৈরী করলো। এটা কেবল মাত্র একটা দেহ ছিলো, যার মধ্যে গরুর শব্দ ছিলো। তারপর তারা অন্যদেরকে বললো, “এটাই তোমাদের উপাস্য আর মূসারও উপাস্য। কিন্তু মূসা ভুলে গেছেন।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৮৮)
- ব্যাখ্যা
(৮৯) তারা কি তবে দেখে না যে, এ বাছুর তাদের কোনো কথার উত্তর দেয় না আর তাদের কোনো ক্ষতি অথবা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না? (২০. ত্বোয়া-হা : ৮৯)
- ব্যাখ্যা
(৯০) অবশ্যই হারূন তাদেরকে পুর্বেই বলেছিলেন যে, “হে আমার জাতি, তোমরা তো এই বাছুর দ্বারা পরীক্ষায় পড়েছো। নিশ্চয় তোমাদের প্রভু তো দয়াময় আল্লাহ। অতএব, তোমরা আমার অনুসরণ করো আর তোমরা আমার আদেশ মেনে চলো।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৯০)
- ব্যাখ্যা
(৯১) তারা বললো, “আমরা কখনোই একে ছেড়ে দিবো না। আমরা বাছুরকে ঘিরে বসে থাকবো, যে পর্যন্ত না, আমাদের কাছে মূসা ফিরে আসেন।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৯১)
- ব্যাখ্যা
(৯২) মূসা বললেন, “হে হারূন, তাদেরকে বাধা দিতে তোমাকে কিসে নিষেধ করেছিলো, যখন তুমি তাদেরকে দেখলে যে, তারা পথভ্রষ্ট হচ্ছে? (২০. ত্বোয়া-হা : ৯২)
- ব্যাখ্যা
(৯৪) হারূন বললেন, “হে আমার মায়ের পুত্র, তুমি আমার দাড়ি ও মাথার চুল ধরো না, নিশ্চয় আমি আশঙ্কা করি যে, তুমি বলবে, ‘তুমি ইসরাঈলের সন্তানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছো এবং তুমি আমার কথার জন্যে অপেক্ষা করোনি’।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৯৪)
- ব্যাখ্যা
(৯৬) সামেরী বললো, “আমি তা দেখেছিলাম, যা তারা দেখেনি। তারপর আমি সেই প্রেরিত ফেরেশতা জিবরিলের পদচিহ্নের নিচ থেকে এক মুষ্টি মাটি নিয়ে নিলাম। তারপর আমি তা এই বাছুরের মুখে নিক্ষেপ করলাম। আর আমাকে আমার মন এমনটাই পরামর্শ দিলো।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৯৬)
- ব্যাখ্যা
(৯৭) মূসা বললেন, “তবে তুই দূর হ, সুতরাং তোর জন্যে নিশ্চয় সারা জীবন এ শাস্তিই রইলো যে, তুই বলবি, ‘আমাকে স্পর্শ করো না’ নিশ্চয় তোর জন্যে একটি নির্দিষ্ট অঙ্গীকার আছে, যার ব্যতিক্রম কখনোই হবে না। আর তুই তোর ঐ উপাস্যের প্রতি লক্ষ্য কর, যাকে তুই ঘিরে বসে থেকে পূজো করতি। আমরা অবশ্যই একে জ্বালিয়ে দিবোই। তারপর এর ছাইকে বিক্ষিপ্ত করে সাগরের মধ্যে ছড়িয়ে দিবোই।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৯৭)
- ব্যাখ্যা
(৯৮) তোমাদের উপাস্য কেবল মাত্র আল্লাহই, তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই। তিনি স্বীয় জ্ঞানের দ্বারা সব কিছুকে ঘেরাও করে আছেন। (২০. ত্বোয়া-হা : ৯৮)
- ব্যাখ্যা