(৭৭) অবশ্যই আমি মূসার প্রতি এই মর্মে ওহী প্রেরণ করেছিলাম যে, “তুমি আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাতের বেলায় বের হয়ে যাও। আর তুমি তাদের জন্যে লাঠির আঘাতে সমুদ্রের মধ্যে একটি শুকনো পথ নির্মাণ করো। তুমি ফিরআউনের হাতে ধরা পড়ার আশঙ্কা করো না। আর তুমি পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয় করো না।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৭৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭৮) তারপর ফিরআউন তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদের পিছনে ধাওয়া করলো। তখন সমুদ্র তাদেরকে ডুবিয়ে দিলো, যেমনটি তাদেরকে ডুবিয়ে দেওয়া উচিত ছিলো। (২০. ত্বোয়া-হা : ৭৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮০) হে ইসরাঈলের সন্তানগণ! অবশ্যই আমি তোমাদেরকে তোমাদের শত্রুদের থেকে উদ্ধার করেছিলাম। তুর পাহাড়ের ডান পার্শ্বে আমি তোমাদেরকে তাওরাত প্রদানের অঙ্গীকার করেছিলাম। আর আমি তোমাদের কাছে সুমিষ্ট হালুয়া ও পাখী অবতীর্ণ করেছিলাম। (২০. ত্বোয়া-হা : ৮০)
- ব্যাখ্যা
(৮১) আমি বলেছিলাম, “আমি তোমাদেরকে যে জীবিকা দান করেছি, তোমরা ঐ সকল পবিত্র খাদ্য থেকে খাও। তোমরা এ জীবিকার মধ্যে সীমালঙ্ঘন করো না, তাহলে তোমাদের উপরে আমার ক্রোধ নেমে আসবে। আর যার উপরে আমার ক্রোধ নেমে আসে, সে অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যায়। (২০. ত্বোয়া-হা : ৮১)
- ব্যাখ্যা
(৮২) নিশ্চয় আমি তার প্রতি ক্ষমাশীল, যে ব্যক্তি ক্ষমা প্রার্থনা করে ও আমার প্রতি বিশ্বাস করে এবং সৎকর্ম করে, তারপর সৎপথে অটল থাকে। (২০. ত্বোয়া-হা : ৮২)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) মূসা বললেন, “ঐ তো তারা আমার পিছনে আসছে। আর হে আমার প্রভু, আমি তাড়াতাড়ি আপনার কাছে এলাম, যেনো আপনি সন্তুষ্ট হন।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
(৮৬) তারপর মূসা তাঁর জাতির কাছে রাগান্নিত ও অনুতপ্ত হয়ে ফিরে গেলেন। মূসা বললেন, “হে আমার জাতি, তোমাদের প্রভু কি তোমাদেরকে উত্তম অঙ্গীকার করেননি? তবে কি প্রতিশ্রুত সময় তোমাদের কাছে দীর্ঘ মনে হয়েছিলো, না কি তোমরা চেয়েছিলে যে, তোমাদের উপরে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে ক্রোধ নেমে আসুক, যে কারণে তোমরা আমার সাথে কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে?” (২০. ত্বোয়া-হা : ৮৬)
- ব্যাখ্যা
(৮৭) তারা বললো, “আমরা তোমার সাথে কৃত অঙ্গীকার স্বেচ্ছায় ভঙ্গ করিনি। কিন্তু আমাদের উপরে ফিরআউনের জাতির অলঙ্কারের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। তারপর আমরা ঐ অলঙ্কারকে আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করে দিয়েছি। তারপর এভাবেই সামেরীও নিক্ষেপ করেছে।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৮৭)
- ব্যাখ্যা