শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


قَالُواْ يَٰمُوسَىٰٓ إِمَّآ أَن تُلۡقِيَ وَإِمَّآ أَن نَّكُونَ أَوَّلَ مَنۡ أَلۡقَىٰ ٦٥
(৬৫) তারা বললো, “হে মূসা! হয় তুমি আগে নিক্ষেপ করো অথবা আমরাই আগে নিক্ষেপ করি।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৬৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ بَلۡ أَلۡقُواْۖ فَإِذَا حِبَالُهُمۡ وَعِصِيُّهُمۡ يُخَيَّلُ إِلَيۡهِ مِن سِحۡرِهِمۡ أَنَّهَا تَسۡعَىٰ ٦٦
(৬৬) মূসা বললেন, “বরং তোমরাই আগে নিক্ষেপ করো।” সুতরাং যখন তারা নিক্ষেপ করলো, তখন তাদের জাদুর প্রভাবে তাদের রশিগুলো ও লাঠিগুলো মূসার কাছে মনে হলো যেনো, সেগুলো ছুটাছুটি করছে। (২০. ত্বোয়া-হা : ৬৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأَوۡجَسَ فِي نَفۡسِهِۦ خِيفَةٗ مُّوسَىٰ ٦٧
(৬৭) ফলে মূসা তাঁর মনের মধ্যে কিছুটা ভীতি অনুভব করলেন। (২০. ত্বোয়া-হা : ৬৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قُلۡنَا لَا تَخَفۡ إِنَّكَ أَنتَ ٱلۡأَعۡلَىٰ ٦٨
(৬৮) আমি বলেছিলাম, “হে মূসা! তুমি ভয় করো না, নিশ্চয় তুমিই বিজয়ী হবে। (২০. ত্বোয়া-হা : ৬৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَأَلۡقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلۡقَفۡ مَا صَنَعُوٓاْۖ إِنَّمَا صَنَعُواْ كَيۡدُ سَٰحِرٖۖ وَلَا يُفۡلِحُ ٱلسَّاحِرُ حَيۡثُ أَتَىٰ ٦٩
(৬৯) তুমি তোমার ডান হাতের লাঠিকে নিক্ষেপ করো। যা তারা বানিয়েছে এ লাঠি তা খেয়ে ফেলবে। তারা যা বানিয়েছে তা তো কেবল মাত্র জাদুকরের কৌশল। জাদুকর সফল হবে না, যেখান থেকেই সে আসুক না কেনো।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৬৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأُلۡقِيَ ٱلسَّحَرَةُ سُجَّدٗا قَالُوٓاْ ءَامَنَّا بِرَبِّ هَٰرُونَ وَمُوسَىٰ ٧٠
(৭০) তারপর জাদুকররা সেজদায় লুটিয়ে পড়লো। তারা বললো, “আমরা হারূন ও মূসার প্রভু আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করলাম।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৭০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ ءَامَنتُمۡ لَهُۥ قَبۡلَ أَنۡ ءَاذَنَ لَكُمۡۖ إِنَّهُۥ لَكَبِيرُكُمُ ٱلَّذِي عَلَّمَكُمُ ٱلسِّحۡرَۖ فَلَأُقَطِّعَنَّ أَيۡدِيَكُمۡ وَأَرۡجُلَكُم مِّنۡ خِلَٰفٖ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمۡ فِي جُذُوعِ ٱلنَّخۡلِ وَلَتَعۡلَمُنَّ أَيُّنَآ أَشَدُّ عَذَابٗا وَأَبۡقَىٰ ٧١
(৭১) ফিরআউন বললো, “তোমরা কি মূসার প্রতি বিশ্বাস করলে, এর পূর্বেই যে, আমি তোমাদেরকে মূসার প্রতি বিশ্বাস করার জন্যে অনুমতি দেই। নিশ্চয় মূসা তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু বিদ্যা শিখিয়েছে। অতএব আমি তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কেটে দিবো। অবশ্যই আমি তোমাদেরকে খেজুর গাছের কান্ডে শূলে চড়াবো। তোমরা অবশ্যই জানতে পারবে, আল্লাহ ও আমার মধ্যে কার শাস্তি কঠোরতর ও দীর্ঘস্থায়ী।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৭১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالُواْ لَن نُّؤۡثِرَكَ عَلَىٰ مَا جَآءَنَا مِنَ ٱلۡبَيِّنَٰتِ وَٱلَّذِي فَطَرَنَاۖ فَٱقۡضِ مَآ أَنتَ قَاضٍۖ إِنَّمَا تَقۡضِي هَٰذِهِ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَآ ٧٢
(৭২) জাদুকররা বললো, “আমাদের কাছে যে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে ঐ বিষয়ের উপরে আমরা কখনোই তোমাকে প্রাধান্য দিবো না। আল্লাহর উপরেও তোমাকে প্রাধান্য দিবো না, যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। অতএব, তুমি যা ইচ্ছা আমাদের বিরুদ্ধে রায় দাও। তুমি তো কেবল মাত্র এই পার্থিব জীবনেই যা ইচ্ছা রায় দিতে পারো। (২০. ত্বোয়া-হা : ৭২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنَّآ ءَامَنَّا بِرَبِّنَا لِيَغۡفِرَ لَنَا خَطَٰيَٰنَا وَمَآ أَكۡرَهۡتَنَا عَلَيۡهِ مِنَ ٱلسِّحۡرِۗ وَٱللَّهُ خَيۡرٞ وَأَبۡقَىٰٓ ٧٣
(৭৩) নিশ্চয় আমরা আমাদের প্রভুর প্রতি বিশ্বাস করেছি, যেনো তিনি আমাদেরকে আমাদের পাপ সমূহ ক্ষমা করেন। আর তুমি আমাদেরকে যে জাদুর প্রতি বাধ্য করেছো তা ক্ষমা করেন। আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ ও চিরস্থায়ী।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৭৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنَّهُۥ مَن يَأۡتِ رَبَّهُۥ مُجۡرِمٗا فَإِنَّ لَهُۥ جَهَنَّمَ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحۡيَىٰ ٧٤
(৭৪) নিশ্চয় যে ব্যক্তি তার প্রভুর কাছে অপরাধী হয়ে আসবে, তবে তার জন্যে দোযখ রয়েছে। এই দোযখের মধ্যে সে মরবেও না আর বাঁচবেও না। (২০. ত্বোয়া-হা : ৭৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَمَن يَأۡتِهِۦ مُؤۡمِنٗا قَدۡ عَمِلَ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَأُوْلَٰٓئِكَ لَهُمُ ٱلدَّرَجَٰتُ ٱلۡعُلَىٰ ٧٥
(৭৫) আর যে কেউ তাঁর কাছে এমন বিশ্বাসী হয়ে আসবে যে, সে ইতিপূর্বে সৎকাজ করেছে, তাহলে এরাই তারা, যাদের জন্যে সুউচ্চ মর্যাদা রয়েছে। (২০. ত্বোয়া-হা : ৭৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

جَنَّٰتُ عَدۡنٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَاۚ وَذَٰلِكَ جَزَآءُ مَن تَزَكَّىٰ ٧٦
(৭৬) তাদের জন্যে বসবাসের এমন বেহেশত রয়েছে, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। এই বেহেশতের মধ্যে তারা চিরকাল থাকবে। আর এ বেহেশত হচ্ছে তার জন্যে পুরস্কার, যে ব্যক্তি পবিত্র হয়। (২০. ত্বোয়া-হা : ৭৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা