(৫৩) যিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে বিছানা করেছেন আর তার মধ্যে তোমাদের জন্যে চলার পথ দিয়েছেন। আর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন। তারপর ঐ পানি দ্বারা আমি বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি। (২০. ত্বোয়া-হা : ৫৩)
- ব্যাখ্যা
(৫৪) তোমরা উদ্ভিদ হতে খাও আর তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুদেরকে উদ্ভিদ যুক্ত জমিনে চরাও। নিশ্চয় এর মধ্যে জ্ঞানের অধিকারীদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (২০. ত্বোয়া-হা : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৫) মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি আর এর মধ্যেই আমি তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিবো। আর পুনরায় মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে আরো একবার বের করে আনবো। (২০. ত্বোয়া-হা : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৬) অবশ্যই আমি ফিরআউনকে আমার সব নিদর্শন দেখিয়েছিলাম, তারপর সে আমার নিদর্শনের প্রতি মিথ্যা আরোপ করলো ও আমার নির্দেশকে অমান্য করলো। (২০. ত্বোয়া-হা : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) তাহলে অবশ্যই, আমরাও তোমার কাছে এরই মতো জাদু নিয়ে আসবো। সুতরাং তুমি কোনো এক সমতল জায়গায় আমাদের ও তোমার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময় ধার্য্য করো, যা আমরাও লঙ্ঘন করবো না আর তুমিও লঙ্ঘন করবে না।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৬১) মূসা তাদেরকে বললেন, “দুর্ভাগ্য তোমাদের, তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করো না। তাহলে তিনি তোমাদেরকে শাস্তি দিয়ে ধ্বংস করে দিবেন। অবশ্যই যে ব্যক্তি মিথ্যা আরোপ করে, সেই ব্যর্থ হয়।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) তারা বললো, “নিশ্চয় এই দুইজন জাদুকর, তারা চায় যে, তাদের জাদু দ্বারা তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বের করতে এবং তোমাদের উৎকৃষ্ট জীবন ব্যবস্থা বন্ধ করে দিতে। (২০. ত্বোয়া-হা : ৬৩)
- ব্যাখ্যা