(৩৯) তা এই যে, ‘তুমি মূসাকে একটি সিন্দুকের মধ্যে রাখো, তারপর তা নদীর মধ্যে ভাসিয়ে দাও। তারপর নদী মূসাকে তীরে ঠেলে দিবে। তাকে আমার ও তাঁর শক্র উঠিয়ে নিয়ে যাবে।’ আমি আমার পক্ষ হতে তোমার প্রতি মানুষের মনের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করেছিলাম। যেনো তুমি আমার চোখের সামনে প্রতিপালিত হও। (২০. ত্বোয়া-হা : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) যখন তোমার বোন নদীর পাশ দিয়ে হেটে চলেছিলো, তারপর সে বললো, ‘আমি কি তোমাদের জন্যে ঐ মহিলাকে দেখিয়ে দিবো, যে তাঁকে পালন করবে?’ তারপর আমি তোমাকে তোমার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যেনো তার চোখ শীতল হয় আর দুঃখ না পায়। তুমি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলে, তারপর আমি তোমাকে ঐ দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেই। আমি তোমাকে অনেক পরীক্ষা করেছি। তারপর তুমি কয়েক বছর মাদইয়ান বাসীদের মধ্যে অবস্থান করেছিলে। হে মূসা! তারপর তুমি নির্ধারিত সময়ে এসে গেছো। (২০. ত্বোয়া-হা : ৪০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৫) মূসা ও হারূন বললো, “হে আমাদের প্রভু, নিশ্চয় আমরা আশঙ্কা করি যে, ফিরআউন আমাদের প্রতি আক্রমণ করবে অথবা সে ন্যায়ের সীমা ছাড়িয়ে যাবে।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) সুতরাং তোমরা ফিরআউনের কাছে যাও এবং বলো ‘নিশ্চয় আমরা তোমার প্রভুর প্রেরিত রসূল। সুতরাং তুমি আমাদের সঙ্গে ইসরাঈলের সন্তানদেরকে যেতে দাও আর তুমি তাদেরকে শাস্তি দিও না। অবশ্যই আমরা তোমার কাছে তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে নিদর্শন নিয়ে এসেছি। আর যে ব্যক্তি সৎপথের নির্দেশ অনুসরণ করে, তার উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) নিশ্চয় আমাদের কাছে ওহী হয়েছে যে, তার উপরে শাস্তি এসে পড়বে, যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়’।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৫০) মূসা বললেন, “আমাদের প্রভু হচ্ছেন আল্লাহ, যিনি সব কিছুকে তার সৃষ্টিগত যোগ্য আকৃতি দান করেছেন, তারপর পথ প্রদর্শন করেছেন।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৫০)
- ব্যাখ্যা