শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


إِذۡ أَوۡحَيۡنَآ إِلَىٰٓ أُمِّكَ مَا يُوحَىٰٓ ٣٨
(৩৮) যখন আমি তোমার মায়ের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলাম। যা নির্দেশ দেওয়া হয়ে ছিলো (২০. ত্বোয়া-হা : ৩৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

أَنِ ٱقۡذِفِيهِ فِي ٱلتَّابُوتِ فَٱقۡذِفِيهِ فِي ٱلۡيَمِّ فَلۡيُلۡقِهِ ٱلۡيَمُّ بِٱلسَّاحِلِ يَأۡخُذۡهُ عَدُوّٞ لِّي وَعَدُوّٞ لَّهُۥۚ وَأَلۡقَيۡتُ عَلَيۡكَ مَحَبَّةٗ مِّنِّي وَلِتُصۡنَعَ عَلَىٰ عَيۡنِيٓ ٣٩
(৩৯) তা এই যে, ‘তুমি মূসাকে একটি সিন্দুকের মধ্যে রাখো, তারপর তা নদীর মধ্যে ভাসিয়ে দাও। তারপর নদী মূসাকে তীরে ঠেলে দিবে। তাকে আমার ও তাঁর শক্র উঠিয়ে নিয়ে যাবে।’ আমি আমার পক্ষ হতে তোমার প্রতি মানুষের মনের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করেছিলাম। যেনো তুমি আমার চোখের সামনে প্রতিপালিত হও। (২০. ত্বোয়া-হা : ৩৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِذۡ تَمۡشِيٓ أُخۡتُكَ فَتَقُولُ هَلۡ أَدُلُّكُمۡ عَلَىٰ مَن يَكۡفُلُهُۥۖ فَرَجَعۡنَٰكَ إِلَىٰٓ أُمِّكَ كَيۡ تَقَرَّ عَيۡنُهَا وَلَا تَحۡزَنَۚ وَقَتَلۡتَ نَفۡسٗا فَنَجَّيۡنَٰكَ مِنَ ٱلۡغَمِّ وَفَتَنَّٰكَ فُتُونٗاۚ فَلَبِثۡتَ سِنِينَ فِيٓ أَهۡلِ مَدۡيَنَ ثُمَّ جِئۡتَ عَلَىٰ قَدَرٖ يَٰمُوسَىٰ ٤٠
(৪০) যখন তোমার বোন নদীর পাশ দিয়ে হেটে চলেছিলো, তারপর সে বললো, ‘আমি কি তোমাদের জন্যে ঐ মহিলাকে দেখিয়ে দিবো, যে তাঁকে পালন করবে?’ তারপর আমি তোমাকে তোমার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যেনো তার চোখ শীতল হয় আর দুঃখ না পায়। তুমি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিলে, তারপর আমি তোমাকে ঐ দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেই। আমি তোমাকে অনেক পরীক্ষা করেছি। তারপর তুমি কয়েক বছর মাদইয়ান বাসীদের মধ্যে অবস্থান করেছিলে। হে মূসা! তারপর তুমি নির্ধারিত সময়ে এসে গেছো। (২০. ত্বোয়া-হা : ৪০) - ব্যাখ্যা , হাদিস
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা , হাদিস

وَٱصۡطَنَعۡتُكَ لِنَفۡسِي ٤١
(৪১) আমি তোমাকে আমার নিজের জন্যে নির্বাচন করেছি। (২০. ত্বোয়া-হা : ৪১) - ব্যাখ্যা , হাদিস
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা , হাদিস

ٱذۡهَبۡ أَنتَ وَأَخُوكَ بِـَٔايَٰتِي وَلَا تَنِيَا فِي ذِكۡرِي ٤٢
(৪২) তুমি ও তোমার ভাই আমার নিদর্শন সমূহ সহ ফিরআউনের কাছে যাও। আর তুমি আমার স্মরণের ব্যাপারে শিথিল হয়ো না। (২০. ত্বোয়া-হা : ৪২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ٱذۡهَبَآ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ ٤٣
(৪৩) তোমরা উভয়ে ফিরআউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমা ছাড়িয়ে গেছে। (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَقُولَا لَهُۥ قَوۡلٗا لَّيِّنٗا لَّعَلَّهُۥ يَتَذَكَّرُ أَوۡ يَخۡشَىٰ ٤٤
(৪৪) তারপর তোমরা উভয়ে তাকে নম্র কথা বলো, হয়তো সে চিন্তা করবে অথবা সে ভীত হবে।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَا رَبَّنَآ إِنَّنَا نَخَافُ أَن يَفۡرُطَ عَلَيۡنَآ أَوۡ أَن يَطۡغَىٰ ٤٥
(৪৫) মূসা ও হারূন বললো, “হে আমাদের প্রভু, নিশ্চয় আমরা আশঙ্কা করি যে, ফিরআউন আমাদের প্রতি আক্রমণ করবে অথবা সে ন্যায়ের সীমা ছাড়িয়ে যাবে।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ لَا تَخَافَآۖ إِنَّنِي مَعَكُمَآ أَسۡمَعُ وَأَرَىٰ ٤٦
(৪৬) আল্লাহ বললেন, “তোমরা উভয়ে ভয় করো না, নিশ্চয় আমি তোমাদের উভয়ের সঙ্গে আছি, আমি শুনি ও দেখি। (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأۡتِيَاهُ فَقُولَآ إِنَّا رَسُولَا رَبِّكَ فَأَرۡسِلۡ مَعَنَا بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ وَلَا تُعَذِّبۡهُمۡۖ قَدۡ جِئۡنَٰكَ بِـَٔايَةٖ مِّن رَّبِّكَۖ وَٱلسَّلَٰمُ عَلَىٰ مَنِ ٱتَّبَعَ ٱلۡهُدَىٰٓ ٤٧
(৪৭) সুতরাং তোমরা ফিরআউনের কাছে যাও এবং বলো ‘নিশ্চয় আমরা তোমার প্রভুর প্রেরিত রসূল। সুতরাং তুমি আমাদের সঙ্গে ইসরাঈলের সন্তানদেরকে যেতে দাও আর তুমি তাদেরকে শাস্তি দিও না। অবশ্যই আমরা তোমার কাছে তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে নিদর্শন নিয়ে এসেছি। আর যে ব্যক্তি সৎপথের নির্দেশ অনুসরণ করে, তার উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِنَّا قَدۡ أُوحِيَ إِلَيۡنَآ أَنَّ ٱلۡعَذَابَ عَلَىٰ مَن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ ٤٨
(৪৮) নিশ্চয় আমাদের কাছে ওহী হয়েছে যে, তার উপরে শাস্তি এসে পড়বে, যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়’।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ فَمَن رَّبُّكُمَا يَٰمُوسَىٰ ٤٩
(৪৯) ফিরআউন বললো, “সুতরাং হে মূসা, তোমাদের উভয়ের প্রভু কে?” (২০. ত্বোয়া-হা : ৪৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ رَبُّنَا ٱلَّذِيٓ أَعۡطَىٰ كُلَّ شَيۡءٍ خَلۡقَهُۥ ثُمَّ هَدَىٰ ٥٠
(৫০) মূসা বললেন, “আমাদের প্রভু হচ্ছেন আল্লাহ, যিনি সব কিছুকে তার সৃষ্টিগত যোগ্য আকৃতি দান করেছেন, তারপর পথ প্রদর্শন করেছেন।” (২০. ত্বোয়া-হা : ৫০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ فَمَا بَالُ ٱلۡقُرُونِ ٱلۡأُولَىٰ ٥١
(৫১) ফিরআউন বললো, “তাহলে অতীত যুগের লোকদের অবস্থা কি?” (২০. ত্বোয়া-হা : ৫১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা