(৫৪) আপনি এই গ্রন্থের মধ্যে ইসমাঈলের কথা আলোচনা করুন। নিশ্চয় তিনি ছিলেন প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যবাদী আর তিনি ছিলেন রসূল, নবী। (১৯. মারইয়াম : ৫৪)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) এরাই তাঁরা নবীগণের মধ্যে যাঁদের উপরে আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেন। এরা আদমের বংশধর আর তাদের বংশধর, যাদেরকে আমি নূহের সাথে নৌকায় বহন করিয়েছিলাম আর ইব্রাহীম ও ইসরাঈলের বংশধর আর তাদের বংশধর, যাদেরকে আমি পথ প্রদর্শন করেছি ও মনোনীত করেছি। তাদের কাছে যখন দয়াময় আল্লাহর বাণী সমূহ পাঠ করা হতো, তখন তারা সেজদায় লুটিয়ে পড়তো এবং ক্রন্দন করতো। (সেজদা-৫) (১৯. মারইয়াম : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) তারপর তাদের পরে কিছু অপদার্থ পরবর্তীরা এলো, যারা নামাযকে নষ্ট করলো ও কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করলো। সুতরাং তারা শীঘ্রই পথভ্রষ্টতার পরিণাম দেখতে পাবে। (১৯. মারইয়াম : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬০) তবে তারা ব্যতীত, যারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে। সুতরাং এরাই বেহেশতে প্রবেশ করবে আর তাদের প্রতি কোনো অন্যায় করা হবে না। (১৯. মারইয়াম : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) বেহেশত হবে তাদের স্থায়ী বসবাস, যার অঙ্গীকার দয়াময় আল্লাহ নিজ বান্দাদেরকে অদৃশ্যভাবে দিয়েছেন। নিশ্চয় আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ হবেই। (১৯. মারইয়াম : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) তারা বেহেশতের মধ্যে কোনো অসার কথাবার্তা শুনবে না, তবে একথা ব্যতীত যে, “তোমাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক”। বেহেশতের মধ্যে সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের জন্যে উত্তম জীবিকা থাকবে। (১৯. মারইয়াম : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) জিবরিল বললেন, “আমরা আপনার প্রভুর আদেশ ব্যতীত অবতরণ করি না। যা আমাদের সামনের ভবিষ্যৎ ও যা আমাদের পিছনের অতীত ও যা এই দুইয়ের মধ্যে বর্তমান, সবই আল্লাহর আয়ত্ত্বাধীন। আপনার প্রভু কোনো কিছুই ভুলে যান না। (১৯. মারইয়াম : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস