(৩৯) আপনি তাদেরকে পরিতাপের দিন সম্পর্কে সতর্ক করে দিন, যখন সব ব্যাপারের মীমাংসা হয়ে যাবে। অথচ এখন তারা উদাসীন হয়ে পড়ে আছে আর তারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে না। (১৯. মারইয়াম : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪০) নিশ্চয় পৃথিবীর ও পৃথিবীর উপরে যারা আছে তাদের চুড়ান্ত মালিকানার অধিকারী আমিই হবো। আর আমার কাছেই তাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে। (১৯. মারইয়াম : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪২) যখন ইব্রাহীম তার পিতাকে বললেন, “হে আমার পিতা! তুমি তার উপাসনা কেনো করো, যে শুনে না, দেখে না এবং তোমার কোনো উপকারে আসে না? (১৯. মারইয়াম : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) হে আমার পিতা, নিশ্চয় আমার কাছে এমন জ্ঞান এসেছে, যা তোমার কাছে আসেনি। সুতরাং তুমি আমার অনুসরণ করো, আমি তোমাকে সরল পথ দেখাবো। (১৯. মারইয়াম : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) হে আমার পিতা, নিশ্চয় আমি আশঙ্কা করি যে, দয়াময়ের পক্ষ থেকে কোনো কঠিন শাস্তি তোমাকে স্পর্শ করবে, ফলে তুমি শয়তানের সঙ্গী হয়ে যাবে।” (১৯. মারইয়াম : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) ইব্রাহীমের পিতা আযর বললো, “হে ইব্রাহীম, তুমি কি আমার উপাস্যদের থেকে বিমুখ হয়েছো? যদি তুমি বিরত না হও, আমি অবশ্যই তোমাকে পাথড় মেরে হত্যা করবো। আর এখন তুমি চিরতরে আমার কাছ থেকে দূর হয়ে যাও।” (১৯. মারইয়াম : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) ইব্রাহীম বললেন, “তোমার উপরে শান্তি বর্ষিত হোক, আমি শীঘ্রই আমার প্রভুর কাছে তোমার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবো। নিশ্চয় তিনি আমার প্রতি অনুগ্রহশীল। (১৯. মারইয়াম : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) আমি তোমাদেরকে ও যাদেরকে তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে উপাসনা করো তাদেরকে পরিত্যাগ করছি। আমি আমার প্রভু আল্লাহর উপাসনা করবো। আমি আশা করি যে, আমার প্রভুর উপাসনা করে আমি অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত হবো না।” (১৯. মারইয়াম : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) তারপর ইব্রাহীম যখন তাদেরকে ও আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে যাদের তারা উপাসনা করতো ঐ সকল দেবতাদেরকে পরিত্যাগ করলেন, তখন আমি তাঁকে ইসহাক ও ইয়াকুবকে দান করলাম আর প্রত্যেককে আমি নবী বানিয়ে ছিলাম। (১৯. মারইয়াম : ৪৯)
- ব্যাখ্যা