(২৬) সুতরাং তুমি খাও ও পান করো এবং তোমার চোখ শীতল করো। তারপর তুমি যদি মানুষের মধ্যে কাউকে দেখতে পাও, তবে তুমি ইশারায় বলে দিও, ‘নিশ্চয় আমি পরম দয়াময়ের জন্যে রোযা রাখার সঙ্কল্প করেছি, কাজেই আমি আজ কোনো মানুষের সঙ্গে কথাবার্তা বলবো না’।” (১৯. মারইয়াম : ২৬)
- ব্যাখ্যা
(২৭) তারপর মারইয়াম সন্তানকে নিয়ে তাঁর জাতির কাছে উপস্থিত হলেন। তারা বললো, “হে মারইয়াম, অবশ্যই তুমি জঘন্য বিষয় নিয়ে এসেছো। (১৯. মারইয়াম : ২৭)
- ব্যাখ্যা
(৩১) যেখানেই আমি থাকি না কেনো, তিনি আমাকে কল্যাণময় করেছেন। আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, ততদিন নামায পড়তে ও যাকাত আদায় করতে, যতদিন আমি জীবিত থাকি। (১৯. মারইয়াম : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) আল্লাহর জন্যে এ সম্ভব নয় যে, তিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করবেন, তিনি এ থেকে পবিত্র। তিনি যখন কোনো কাজের সিদ্ধান্ত করেন, তখন তাকে কেবল মাত্র একথাই বলেন, ‘হয়ে যাও’ সুতরাং তখনি তা হয়ে যায়। (১৯. মারইয়াম : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) তা সত্ত্বেও তাদের বিভিন্ন দল তাদের পরস্পরের মধ্যে মতানৈক্য সৃষ্টি করলো। সুতরাং তাদের প্রতি আফসোস, যারা সেই ভয়ঙ্কর দিনের সাক্ষাতের ব্যাপারে অবিশ্বাস করে। (১৯. মারইয়াম : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) সেই দিন তারা কত স্পষ্টভাবে শুনবে ও দেখবে, যেদিন তারা আমার কাছে আসবে। কিন্তু আজ অন্যায়কারীরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে। (১৯. মারইয়াম : ৩৮)
- ব্যাখ্যা