(১২) যখন ইয়াহইয়া জন্মগ্রহণ করলেন, তখন আমি বললাম, “হে ইয়াহইয়া! আপনি দৃঢ়তার সাথে এই ধর্ম গ্রন্থ ধারণ করুন।” আর আমি তাকে শৈশবেই বিচারবুদ্ধি দান করেছিলাম। (১৯. মারইয়াম : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৫) ইয়াহইয়ার উপরে শান্তি, যেদিন তাঁর জন্ম হয়েছিলো ও যেদিন সে মারা গিয়েছিলো আর যেদিন তাঁকে জীবিত অবস্থায় পুনরায় উঠানো হবে। (১৯. মারইয়াম : ১৫)
- ব্যাখ্যা
(১৬) আপনি এই কুরআনের মধ্যে মারইয়ামের কথা বর্ণনা করুন, যখন সে তার পরিবার থেকে পৃথক হয়ে পূর্ব দিকে বায়তুল মুকাদ্দাসের এক জায়গায় আশ্রয় নিলো। (১৯. মারইয়াম : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) তারপর তাদের থেকে নিজেকে আড়াল করার জন্যে মারইয়াম পর্দা গ্রহণ করলো। তারপর আমি মারইয়ামের কাছে আমার ফেরেশতা প্রেরণ করলাম। ফেরেশতা মারইয়ামের কাছে একজন পুর্ণাঙ্গ মানুষ রূপে দেখা দিলো। (১৯. মারইয়াম : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) মারইয়াম বললো, “নিশ্চয় আমি তোমার থেকে মুক্তির জন্যে দয়াময় আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আর তুমি আল্লাহকে ভয় করো, যদি তুমি পরহেযগার হও।” (১৯. মারইয়াম : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(২১) ফেরেশতা বললো, “এমনিতেই হবে। তোমার প্রভু বলেছেন, ‘এটি আমার জন্যে সহজ ব্যাপার। আমি যেনো তাঁকে মানুষের জন্যে একটি নিদর্শন বানাতে পারি ও আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ স্বরূপ করতে পারি। এটা তো এক স্থিরীকৃত ব্যাপার’।” (১৯. মারইয়াম : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২৩) তখন প্রসব বেদনা তাঁকে এক খেজুর গাছের গুড়ির নিকটে নিয়ে এলো। মারইয়াম বললো, “হায় আমার দুর্ভোগ! আমি যদি কোনো রূপে এর পূর্বে মরে যেতাম এবং আমি যদি মানুষের স্মৃতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতাম!” (১৯. মারইয়াম : ২৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৪) তখন ফেরেশতা তাঁর পায়ের নিচে এক স্থান থেকে মারইয়ামকে ডেকে বললো যে, “তুমি দুঃখ করো না, অবশ্যই তোমার প্রভু তোমার পায়ের নিচে একটি ঝর্ণা রেখেছেন। (১৯. মারইয়াম : ২৪)
- ব্যাখ্যা