(৪) যাকারিয়া বলেছিলেন, “হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি আমার দেহের হাড়ের দিক থেকে দুর্বল হয়েগেছি। আমার মাথা পাকা চুলে উজ্বল হয়েগেছে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করে কখনোই ব্যর্থ হইনি। (১৯. মারইয়াম : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) নিশ্চয় আমি আমার মৃত্যুর পরে আমার স্বগোত্রকে ভয় করি যে, তারা আমাকে নিঃসন্তান বলবে এবং আমার স্ত্রী হচ্ছে বন্ধ্যা। সুতরাং আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে একজন উত্তরাধিকারী দান করুন। (১৯. মারইয়াম : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) যে সন্তান আমার উত্তরাধিকারী হবে ও ইয়াকুব বংশের উত্তরাধিকারী হবে। হে আমার প্রভু! আপনি ঐ সন্তানকে আমার জন্যে সন্তোষজনক বানিয়ে দিন।” (১৯. মারইয়াম : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) আমি বললাম, “হে যাকারিয়া! আমি আপনাকে এক পুত্রের সুসংবাদ দিচ্ছি, তার নাম হবে ইয়াহইয়া। এর আগে এই নামে আমি কারো নামকরণ করিনি।” (১৯. মারইয়াম : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) যাকারিয়া বলেছিলেন, “হে আমার প্রভু! কেমন করে আমার পুত্র হবে? অথচ আমার স্ত্রী হচ্ছে বন্ধ্যা আর আমি বার্ধক্যের কারণে বয়সের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছি।” (১৯. মারইয়াম : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯) আল্লাহ বললেন, “এমনটাই হবে আপনার প্রভু আল্লাহ বলে দিয়েছেন, এটা আমার পক্ষে সহজ। অবশ্যই আমি এর আগে আপনাকে সৃষ্টি করেছি যখন আপনি কিছুই ছিলেন না।” (১৯. মারইয়াম : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) যাকারিয়া বলেছিলেন, “হে আমার প্রভু, আমার জন্যে একটি নির্দশন নির্ধারণ করুন।” আল্লাহ বললেন, “আপনার নিদর্শন হচ্ছে এই যে, আপনি সুস্থ থাকা সত্ত্বেও তিন রাত মানুষের সাথে কথা বলতে পারবেন না।” (১৯. মারইয়াম : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) তারপর তিনি উপাসনার কক্ষ থেকে বের হয়ে তার জাতির কাছে এলেন এবং ইঙ্গিতে তাদেরকে বললেন যে, “তোমরা সকালে ও সন্ধ্যায় আল্লাহর প্রশংসা করো।” (১৯. মারইয়াম : ১১)
- ব্যাখ্যা