শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


إِنَّا مَكَّنَّا لَهُۥ فِي ٱلۡأَرۡضِ وَءَاتَيۡنَٰهُ مِن كُلِّ شَيۡءٖ سَبَبٗا ٨٤
(৮৪) নিশ্চয় আমি তাঁকে পৃথিবীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম। আর আমি তাঁকে প্রত্যেক বিষয়ের পথ নির্ণয়ের জ্ঞান দিয়েছিলাম। (১৮. আল কাহফ : ৮৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأَتۡبَعَ سَبَبًا ٨٥
(৮৫) সুতরাং যুলকারনাইন এক পথ অনুসরণ করলেন। (১৮. আল কাহফ : ৮৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

حَتَّىٰٓ إِذَا بَلَغَ مَغۡرِبَ ٱلشَّمۡسِ وَجَدَهَا تَغۡرُبُ فِي عَيۡنٍ حَمِئَةٖ وَوَجَدَ عِندَهَا قَوۡمٗاۖ قُلۡنَا يَٰذَا ٱلۡقَرۡنَيۡنِ إِمَّآ أَن تُعَذِّبَ وَإِمَّآ أَن تَتَّخِذَ فِيهِمۡ حُسۡنٗا ٨٦
(৮৬) অবশেষে যুলকারনাইন যখন সুর্যের অস্ত যাবার স্থানে পৌঁছালেন, তখন তিনি সুর্যকে এক কালো জলাশয়ের মধ্যে অস্ত যেতে দেখতে পেলেন। তিনি ঐ জলাশয়ের কাছে এক জাতিকে দেখতে পেলেন। আমি বললাম, “হে যুলকারনাইন! আপনি ইচ্ছে হলে তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা আপনি ইচ্ছে হলে তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।” (১৮. আল কাহফ : ৮৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ أَمَّا مَن ظَلَمَ فَسَوۡفَ نُعَذِّبُهُۥ ثُمَّ يُرَدُّ إِلَىٰ رَبِّهِۦ فَيُعَذِّبُهُۥ عَذَابٗا نُّكۡرٗا ٨٧
(৮৭) যুলকারনাইন বললেন, “ঐ ব্যক্তির ক্ষেত্রে, যে অন্যায় করবে, সুতরাং শীঘ্রই আমি তাকে শাস্তি দিবো। তারপর আমি তাকে তার প্রভু আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে আনবো, তখন আল্লাহ তাকে কঠোর শাস্তি দিবেন। (১৮. আল কাহফ : ৮৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَأَمَّا مَنۡ ءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا فَلَهُۥ جَزَآءً ٱلۡحُسۡنَىٰۖ وَسَنَقُولُ لَهُۥ مِنۡ أَمۡرِنَا يُسۡرٗا ٨٨
(৮৮) আর ঐ ব্যক্তির ক্ষেত্রে, যে আল্লাহকে বিশ্বাস করবে ও সৎকাজ করবে, তবে তার জন্যে উত্তম প্রতিদান রয়েছে। আর আমি শীঘ্রই আমার কাজের ব্যাপারে তাকে সহজ নির্দেশ দিবো।” (১৮. আল কাহফ : ৮৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ثُمَّ أَتۡبَعَ سَبَبًا ٨٩
(৮৯) তারপর যুলকারনাইন অন্য এক পথ অনুসরণ করলেন। (১৮. আল কাহফ : ৮৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

حَتَّىٰٓ إِذَا بَلَغَ مَطۡلِعَ ٱلشَّمۡسِ وَجَدَهَا تَطۡلُعُ عَلَىٰ قَوۡمٖ لَّمۡ نَجۡعَل لَّهُم مِّن دُونِهَا سِتۡرٗا ٩٠
(৯০) অবশেষে যুলকারনাইন যখন সূর্যের উদয় হওয়ার জায়গায় পৌঁছালেন, তখন তিনি সূর্যকে এমন এক জাতির উপর উদয় হতে দেখতে পেলেন যে, তাদের জন্যে আমি সূর্যের তাপ থেকে আত্মরক্ষার জন্যে কোনো আড়াল বানাইনি। (১৮. আল কাহফ : ৯০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

كَذَٰلِكَۖ وَقَدۡ أَحَطۡنَا بِمَا لَدَيۡهِ خُبۡرٗا ٩١
(৯১) প্রকৃত ঘটনা এমনিই। আমি অবশ্যই যুলকারনাইনের ব্যাপারে সব সংবাদ অবগত আছি। (১৮. আল কাহফ : ৯১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ثُمَّ أَتۡبَعَ سَبَبًا ٩٢
(৯২) তারপর যুলকারনাইন অন্য এক পথ অনুসরণ করলেন। (১৮. আল কাহফ : ৯২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

حَتَّىٰٓ إِذَا بَلَغَ بَيۡنَ ٱلسَّدَّيۡنِ وَجَدَ مِن دُونِهِمَا قَوۡمٗا لَّا يَكَادُونَ يَفۡقَهُونَ قَوۡلٗا ٩٣
(৯৩) অবশেষে যখন যুলকারনাইন দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছালেন, তখন তিনি পাহাড়ের কাছে এক জাতিকে দেখতে পেলেন, যারা যুলকারনাইনের কথা একেবারে কিছুই বুঝতে পারছিলো না। (১৮. আল কাহফ : ৯৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالُواْ يَٰذَا ٱلۡقَرۡنَيۡنِ إِنَّ يَأۡجُوجَ وَمَأۡجُوجَ مُفۡسِدُونَ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَهَلۡ نَجۡعَلُ لَكَ خَرۡجًا عَلَىٰٓ أَن تَجۡعَلَ بَيۡنَنَا وَبَيۡنَهُمۡ سَدّٗا ٩٤
(৯৪) তারা বললো, “হে যুলকারনাইন, ইয়াজুজ ও মাজুজ জাতি দেশের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করে বেড়ায়। আমরা কি আপনাকে এই শর্তের উপরে কর দিবো যে, আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর বানিয়ে দিবেন?” (১৮. আল কাহফ : ৯৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قَالَ مَا مَكَّنِّي فِيهِ رَبِّي خَيۡرٞ فَأَعِينُونِي بِقُوَّةٍ أَجۡعَلۡ بَيۡنَكُمۡ وَبَيۡنَهُمۡ رَدۡمًا ٩٥
(৯৫) যুলকারনাইন বললেন, “আমার প্রভু আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছেন, ঐ ক্ষমতা তোমাদের পারিশ্রমিকের চেয়ে উত্তম। সুতরাং, তোমরা আমাকে শ্রম দিয়ে সাহায্য করো। আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে একটি মজবুত প্রাচীর নির্মাণ করে দিবো। (১৮. আল কাহফ : ৯৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ءَاتُونِي زُبَرَ ٱلۡحَدِيدِۖ حَتَّىٰٓ إِذَا سَاوَىٰ بَيۡنَ ٱلصَّدَفَيۡنِ قَالَ ٱنفُخُواْۖ حَتَّىٰٓ إِذَا جَعَلَهُۥ نَارٗا قَالَ ءَاتُونِيٓ أُفۡرِغۡ عَلَيۡهِ قِطۡرٗا ٩٦
(৯৬) তোমরা আমার কাছে লোহার পাত নিয়ে এসো।” অবশেষে যখন দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা পূর্ণ হয়ে গেলো, তখন যুলকারনাইন বললেন, “তোমরা হাঁপরে দম দিতে থাকো।” অবশেষে যখন লোহা আগুনে পরিণত হলো, তখন তিনি বললেন, “তোমরা আমার কাছে গলিত তামা নিয়ে এসো, আমি গলিত তামা এই লোহার পাতের উপরে ঢেলে দিবো।” (১৮. আল কাহফ : ৯৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَمَا ٱسۡطَٰعُوٓاْ أَن يَظۡهَرُوهُ وَمَا ٱسۡتَطَٰعُواْ لَهُۥ نَقۡبٗا ٩٧
(৯৭) তারপর ইয়াজুজ ও মাজুজ জাতি ঐ প্রাচীরের উপরে আরোহণ করতে পারলো না ও তারা ঐ প্রাচীরকে ভেদ করতেও পারলো না। (১৮. আল কাহফ : ৯৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা