(৬) নিশ্চয় যারা (আল্লাহকে) অবিশ্বাস করে, হয় আপনি তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করুন অথবা আপনি তাদেরকে ভয় প্রদর্শন নাই করুন, তাদের কাছে উভয়ই সমান, তারা (আল্লাহর প্রতি) বিশ্বাস করবে না। (২. আল বাক্বারাহ : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) আল্লাহ তাদের হৃদয়ের উপরে এবং তাদের শ্রবণশক্তির উপরে মোহর মেরে দিয়েছেন ও তাদের দৃষ্টিশক্তির উপরে পর্দা দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন। বস্তুত তাদের জন্যে মহা শাস্তি রয়েছে। (২. আল বাক্বারাহ : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৯) তারা আল্লাহকে এবং যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছে তাদেরকে ধোঁকা দেয়। অথচ তারা নিজেদেরকে ব্যতীত অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না। অথচ তারা তা অনুভব করে না। (২. আল বাক্বারাহ : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) তাদের অন্তরের মধ্যে রোগ আছে, সুতরাং আল্লাহ তাদের রোগকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর তাদের জন্যে বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে, যেহেতু তারা মিথ্যা বলে। (২. আল বাক্বারাহ : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) যখন তাদেরকে বলা হয় যে, “তোমরা পৃথিবীর মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না”, তখন তারা বলে, “আমরাই তো শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী।” (২. আল বাক্বারাহ : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১৩) যখন তাদেরকে বলা হলো যে, “তোমরাও (আল্লাহর প্রতি) বিশ্বাস করো যেভাবে অন্য লোকেরা বিশ্বাস করে”, তখন তারা বলে, “আমরা কি (আল্লাহর প্রতি) বিশ্বাস করবো, যেমন বোকারা বিশ্বাস করে?” তোমরা মনে রেখো, নিশ্চয় তারাই বোকা। কিন্তু তারা তা জানে না। (২. আল বাক্বারাহ : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) যারা (আল্লাহর প্রতি) বিশ্বাস করে তাদের সাথে যখন এরা মিলিত হয়, তখন এরা বলে যে, “আমরা (আল্লাহর প্রতি) বিশ্বাস করি।” আর যখন এরা এদের শয়তান বন্ধুদের সঙ্গে একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন এরা বলে যে, “নিশ্চয় আমরা তোমাদের সাথেই রয়েছি। আমরা (বিশ্বাসীদের সাথে) কেবল মাত্র উপহাস করছিলাম।” (২. আল বাক্বারাহ : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৬) এরাই হচ্ছে তারা, যারা সঠিক পথের পরিবর্তে পথভ্রষ্টতা ক্রয় করে। সুতরাং তারা তাদের এ ব্যবসায় লাভবান হয়নি এবং তারা সঠিক পথও প্রাপ্ত হয়নি। (২. আল বাক্বারাহ : ১৬)
- ব্যাখ্যা