(৪৬) সম্পদ ও সন্তান পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্য। আর স্থায়ী সৎকাজ আপনার প্রভুর কাছে পুরস্কার প্রাপ্তি ও আশা পূরণের জন্যে উত্তম। (১৮. আল কাহফ : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) যেদিন আমি পাহাড়কে পরিচালনা করবো। আপনি পৃথিবীকে দেখবেন যে, এ যেনো একটি খোলা ময়দান। আমি তাদেরকে একত্রিত করবো। তখন আমি তাদের মধ্যে কাউকে ছাড়বো না। (১৮. আল কাহফ : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) তাদেরকে সারিবদ্ধ ভাবে আপনার প্রভুর সামনে হাজির করানো হবে। আর আমি বলবো যে, “অবশ্যই আমি তোমাদেরকে নিয়ে এসেছি, যেমন আমি তোমাদেরকে প্রথম বার সৃষ্টি করেছিলাম। অথচ, তোমরা মনে করতে যে, আমি কখনোই তোমাদের জন্যে কোনো প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করবো না।” (১৮. আল কাহফ : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪৯) তাদের সামনে আমলনামা রাখা হবে। তখন ঐ আমলনামার মধ্যে যা আছে ঐ কারণে আপনি অপরাধীদেরকে আতঙ্ক গ্রস্ত দেখবেন। তারা বলবে, “হায় আমাদের দুর্ভোগ! এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট, বড় কোনো কিছুই বাদ দেয়নি, বরং সব কিছুই এর মধ্যে গুনে রেখেছে।” তারা যে কাজ করেছিলো, ঐ কাজকে তারা তাদের সামনে উপস্থিত পাবে। আর ঐ দিন আপনার প্রভু কারো প্রতি অন্যায় করবেন না। (১৮. আল কাহফ : ৪৯)
- ব্যাখ্যা
(৫০) যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বলেছিলাম যে, “তোমরা আদমকে সেজদা করো”, তখন তারা সবাই সেজদা করলো, কিন্তু ইবলীস ব্যতীত। সে জ্বিনদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। সুতরাং সে তার প্রভুর আদেশ সম্পর্কে অবাধ্য হলো। তবে কি তোমরা আমাকে ছেড়ে দিয়ে, এই শয়তানকে ও তার বংশধরকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করবে? অথচ শয়তানরা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। অন্যায়কারীদের জন্যে এই বিনিময় কত নিকৃষ্ট। (১৮. আল কাহফ : ৫০)
- ব্যাখ্যা
(৫১) নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টির সময় ও এই অবিশ্বাসীদের নিজেদেরকে সৃষ্টির সময় আমি তাদেরকে সাক্ষী রাখিনি। আর আমি এমন নই যে, আমি পথ ভ্রষ্টকারীদেরকে আমার ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্যে সাহায্যকারী রূপে গ্রহণ করবো। (১৮. আল কাহফ : ৫১)
- ব্যাখ্যা
(৫২) যেদিন আল্লাহ বলবেন যে, “তোমরা যাদেরকে আমার অংশীদার মনে করতে, তোমরা তাদেরকে ডাকো।” তারা তখন ঐ উপাস্যদেরকে ডাকবে, কিন্তু ঐ উপাস্যরা তাদের প্রতি সাড়া দিবে না। আর আমি তাদের মাঝখানে অন্তরাল তৈরী করে দিবো। (১৮. আল কাহফ : ৫২)
- ব্যাখ্যা