(৩৫) সে তার নিজের প্রতি অন্যায় করেছিলো আর অহঙ্কারী অবস্থায় সে তার বাগানে প্রবেশ করলো। সে বললো, “আমি মনে করি না যে, এ বাগান কখনো ধ্বংস হয়ে যাবে। (১৮. আল কাহফ : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) আর আমি মনে করি না যে, কিয়ামত কখনো অনুষ্ঠিত হবে। যদি কখনো আমার প্রভুর কাছে আমাকে পৌঁছে দেওয়া হয়, তবে আমি সেখানে এর চাইতেও উত্তম স্থান পাবো।” (১৮. আল কাহফ : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) তার সঙ্গী তাকে কথা প্রসঙ্গে বললো, “তুমি কি আল্লাহকে অস্বীকার করছো? যিনি তোমাকে মাটি থেকে, তারপর বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি তোমাকে একজন মানুষের আকৃতিতে পূর্ণাঙ্গ করেছেন। (১৮. আল কাহফ : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) যখন তুমি তোমার বাগানে প্রবেশ করলে, তখন একথা কেনো বললে না যে, আল্লাহ যা চান, তাই হয়। আল্লাহর দেওয়া শক্তি ব্যতীত কোনো শক্তি নেই। তোমার দৃষ্টিতে যদি আমার সম্পদ ও সন্তান তোমার অপেক্ষা কম হয়ে থাকে, (১৮. আল কাহফ : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) তবে আমি আশা করি যে, আমার প্রভু আমাকে তোমার বাগানের চেয়ে উত্তম কিছু দিবেন আর তিনি তোমার এ বাগানের উপরে আকাশ থেকে বিপর্যয় প্রেরণ করবেন। তারপর শীঘ্রই তোমার বাগান গাছপালাহীন ধুলোমাটির প্রান্তর হয়ে যাবে। (১৮. আল কাহফ : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪২) বিপর্যয় তার ফসলকে ঘেরাও করলো, তারপর সকালে সে বাগানে যা ব্যয় করেছিলো, ঐ কারণে সে তার দুই হাত কচলিয়ে আক্ষেপ করতে লাগলো। আর বাগানটি তার মাচার উপরে ভেঙ্গে পড়েছিলো। আর সে বলেছিলো যে, “হায় আমার আফসোস! আমি যদি কাউকে আমার প্রভুর সাথে অংশীদার না করতাম।” (১৮. আল কাহফ : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৩) আল্লাহকে বাদ দিয়ে তার জন্যে এমন কোনো বাহিনী ছিলো না, যে তাকে সাহায্য করবে। আর সে নিজেও ঐ শাস্তিকে প্রতিরোধ করতে পারেনি। (১৮. আল কাহফ : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) এরূপ ক্ষেত্রে সাহায্য করার ক্ষমতা কেবল মাত্র পরম সত্য আল্লাহর হতেই রয়েছে। তিনিই প্রতিদানের ব্যাপারে ও প্রতিদান নির্ধারণে শ্রেষ্ঠ। (১৮. আল কাহফ : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) আপনি তাদের কাছে পার্থিব জীবনের উপমা বর্ণনা করুন। পার্থিব জীবন হচ্ছে পানির ন্যায়, যা আমি আকাশ থেকে অবতীর্ণ করি। তারপর এ পানির সংমিশ্রণের দ্বারা পৃথিবীর গাছপালা ঘন-সন্নিবিষ্ট হয়। তারপর গাছপালা শীঘ্রই শুকনো হয়ে যায়। বাতাস ঐ গাছপালাকে উড়িয়ে নিয়ে যায়। আর আল্লাহ হচ্ছেন এ সব কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান। (১৮. আল কাহফ : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস