(২৮) আপনি ধৈর্য্যধারণ করুন ও নিজেকে তাদের সঙ্গে আবদ্ধ রাখুন, যারা তাদের প্রভু আল্লাহকে সকালে ও সন্ধ্যায় আহবান করে ও তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে। আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে আপনার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে নিবেন না। আপনি তার অনুগত্য করবেন না, যার হৃদয়কে আমি আমার স্মরণ থেকে অমনোযোগী করে দিয়েছি ও যে ব্যক্তি তার খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে ও যার কার্যকলাপ হচ্ছে আল্লাহর সীমাকে অতিক্রম করা। (১৮. আল কাহফ : ২৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৯) আপনি বলুন, “সত্য তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে এসে গেছে। সুতরাং যার ইচ্ছা সে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করুক ও যার ইচ্ছা সে আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করুক।” নিশ্চয় আমি অন্যায়কারীদের জন্যে আগুন প্রস্তুত করে রেখেছি, ঐ আগুনের বেষ্টনী তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখবে। তারা যদি পানি প্রার্থনা করে, তবে তাদেরকে গলিত ধাতুর ন্যায় পানি দেওয়া হবে, যা তাদের মুখমন্ডলকে পুড়িয়ে দিবে। সুতরাং এ কত নিকৃষ্ট পানীয় আর দোযখ কত মন্দ আশ্রয়। (১৮. আল কাহফ : ২৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩১) তাদের জন্যে এমন চিরস্থায়ী বেহেশত রয়েছে, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়। তাদেরকে সেখানে সোনার তৈরী কঙ্কন দিয়ে অলঙ্কৃত করানো হবে। তারা পাতলা ও মোটা রেশমের তৈরী সবুজ পোশাক পরিধান করবে। তারা সেখানে সুসজ্জিত আসনের উপরে হেলান দিয়ে বসবে। বেহেশত কতই না চমৎকার প্রতিদান এবং কতই না উত্তম আশ্রয়। (১৮. আল কাহফ : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) আপনি তাদের কাছে দুইজন ব্যক্তির উদাহরণ বর্ণনা করুন। আমি তাদের একজনের জন্যে দুইটি আঙ্গুরের বাগান বানিয়ে ছিলাম। আমি এ দুইটি আঙ্গুরের বাগানকে খেজুর গাছ দ্বারা পরিবেষ্টিত করেছিলাম। আর আমি এ দুই আঙ্গুরের বাগানের মাঝখানে শস্যক্ষেত্র করেছিলাম। (১৮. আল কাহফ : ৩২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৩) বাগান দুইটির প্রত্যেকটাই ফল প্রদান করতো আর তা প্রদান করার ব্যাপারে কোনো ত্রুটি করতো না। আর আমি এ দুই আঙ্গুর বাগানের মাঝখানে নদী প্রবাহিত করেছিলাম। (১৮. আল কাহফ : ৩৩)
- ব্যাখ্যা