শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


وَكَذَٰلِكَ أَعۡثَرۡنَا عَلَيۡهِمۡ لِيَعۡلَمُوٓاْ أَنَّ وَعۡدَ ٱللَّهِ حَقّٞ وَأَنَّ ٱلسَّاعَةَ لَا رَيۡبَ فِيهَآ إِذۡ يَتَنَٰزَعُونَ بَيۡنَهُمۡ أَمۡرَهُمۡۖ فَقَالُواْ ٱبۡنُواْ عَلَيۡهِم بُنۡيَٰنٗاۖ رَّبُّهُمۡ أَعۡلَمُ بِهِمۡۚ قَالَ ٱلَّذِينَ غَلَبُواْ عَلَىٰٓ أَمۡرِهِمۡ لَنَتَّخِذَنَّ عَلَيۡهِم مَّسۡجِدٗا ٢١
(২১) এইভাবে আমি তাদের সম্পর্কে লোকদেরকে জানিয়ে দিলাম, যেনো ঐ লোকেরা জানতে পারে যে, আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য আর কিয়ামত সম্পর্কে কোনো সন্দেহ নেই। যখন তারা তাদের কর্তব্য সম্পর্কে তাদের নিজেদের মধ্যে পরস্পর বিতর্ক করছিলো, তখন তারা বললো যে, “তোমরা তাদের উপরে সৌধ নির্মাণ করো।” তাদের প্রভু তাদের সম্পর্কে ভালো জানেন। ঐ লোকদের কর্তব্য সম্পর্কে যাদের মতামত প্রবল হলো, তারা বললো যে, “আমরা অবশ্যই তাদের স্থানের উপর একটি মসজিদ নির্মান করবো।” (১৮. আল কাহফ : ২১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

سَيَقُولُونَ ثَلَٰثَةٞ رَّابِعُهُمۡ كَلۡبُهُمۡ وَيَقُولُونَ خَمۡسَةٞ سَادِسُهُمۡ كَلۡبُهُمۡ رَجۡمَۢا بِٱلۡغَيۡبِۖ وَيَقُولُونَ سَبۡعَةٞ وَثَامِنُهُمۡ كَلۡبُهُمۡۚ قُل رَّبِّيٓ أَعۡلَمُ بِعِدَّتِهِم مَّا يَعۡلَمُهُمۡ إِلَّا قَلِيلٞۗ فَلَا تُمَارِ فِيهِمۡ إِلَّا مِرَآءٗ ظَٰهِرٗا وَلَا تَسۡتَفۡتِ فِيهِم مِّنۡهُمۡ أَحَدٗا ٢٢
(২২) অবিশ্বাসীরা শীঘ্রই বলবে, “তারা ছিলো তিন জন, তাদের চতুর্থটি ছিলো তাদের কুকুর।” আর তারা বলবে, “তারা ছিলো পাঁচ জন, তাদের ছষ্ঠটি ছিলো তাদের কুকুর।” অজানা সম্পর্কে আন্দাজ করে তারা একথা বলে থাকে। আর তারা বলবে, “তারা ছিলো সাত জন, তাদের অষ্টমটি ছিলো তাদের কুকুর।” আপনি তাদেরকে বলুন, “আমার প্রভুই তাদের সংখ্যা ভালো জানেন। তাদের খবর অল্প লোক জানে।” সুতরাং সাধারণ আলোচনা ছাড়া আপনি তাদের সম্পর্কে বিতর্ক করবেন না। আর আপনি তাদের অবস্থা সম্পর্কে কাউকে জিজ্ঞাসাও করবেন না। (১৮. আল কাহফ : ২২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَا تَقُولَنَّ لِشَاْيۡءٍ إِنِّي فَاعِلٞ ذَٰلِكَ غَدًا ٢٣
(২৩) আপনি কোনো কাজের বিষয়ে কখনো বলবেন না যে, “নিশ্চয় আমি এটি আগামীকাল করবো”, (১৮. আল কাহফ : ২৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُۚ وَٱذۡكُر رَّبَّكَ إِذَا نَسِيتَ وَقُلۡ عَسَىٰٓ أَن يَهۡدِيَنِ رَبِّي لِأَقۡرَبَ مِنۡ هَٰذَا رَشَدٗا ٢٤
(২৪) এ কথা বলা ব্যতীত যে, “যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন।” আর যখন আপনি এ কথা বলতে ভুলে যান, তখন আপনার প্রভু আল্লাহকে স্মরণ করুন আর আপনি বলুন যে, “আমি আশা করি যে, আমার প্রভু আমাকে এর চাইতেও নিকটতম সত্যের পথ-নির্দেশ করবেন।” (১৮. আল কাহফ : ২৪) - ব্যাখ্যা , হাদিস
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা , হাদিস

وَلَبِثُواْ فِي كَهۡفِهِمۡ ثَلَٰثَ مِاْئَةٖ سِنِينَ وَٱزۡدَادُواْ تِسۡعٗا ٢٥
(২৫) তারা তাদের গুহার মধ্যে তিনশ বছর এবং অতিরিক্ত আরও নয় বছর অবস্থান করেছিলো। (১৮. আল কাহফ : ২৫) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قُلِ ٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِمَا لَبِثُواْۖ لَهُۥ غَيۡبُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِۖ أَبۡصِرۡ بِهِۦ وَأَسۡمِعۡۚ مَا لَهُم مِّن دُونِهِۦ مِن وَلِيّٖ وَلَا يُشۡرِكُ فِي حُكۡمِهِۦٓ أَحَدٗا ٢٦
(২৬) আপনি বলুন, “তারা কতকাল অবস্থান করেছে, ঐ ব্যপারে আল্লাহই ভালো জানেন। নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের বিষয়ের জ্ঞান তাঁর কাছেই রয়েছে। অদৃশ্যের ব্যপারে আল্লাহ কত চমৎকার দেখেন ও শুনেন।” আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাদের জন্যে কোনো অভিভাবক নেই। আল্লাহ তাঁর নিজ কর্তৃত্বের মাঝে কাউকে অংশীদার করেন না। (১৮. আল কাহফ : ২৬) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَٱتۡلُ مَآ أُوحِيَ إِلَيۡكَ مِن كِتَابِ رَبِّكَۖ لَا مُبَدِّلَ لِكَلِمَٰتِهِۦ وَلَن تَجِدَ مِن دُونِهِۦ مُلۡتَحَدٗا ٢٧
(২৭) আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে আপনার প্রতি ধর্ম গ্রন্থ রূপে যে কুরআন ওহী করা হয়েছে, ঐ কুরআনকে আপনি পাঠ করুন। তাঁর বাণীকে পরিবর্তনকারী কেউ নেই। আর তাঁকে বাদ দিয়ে আপনি কখনোই কোনো আশ্রয়স্থল পাবেন না। (১৮. আল কাহফ : ২৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা