(১৬) আর হে সাথীরা! তোমরা যখন তাদের থেকে পৃথক হলে আর তারা আল্লাহ ছাড়া যাদের উপাসনা করে তাদের থেকেও পৃথক হলে, সুতরাং তোমরা গুহার দিকে আশ্রয় গ্রহণ করো। তোমাদের প্রভু তোমাদের জন্যে তাঁর করুণা বিস্তার করবেন আর তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের কাজকর্মকে লাভজনক পরিস্থিতির ব্যবস্থা করবেন।” (১৮. আল কাহফ : ১৬)
- ব্যাখ্যা
(১৭) যখন সূর্য উদিত হতো, তখন আপনি যদি তাদের মাঝে থাকতেন, তবে সূর্যকে দেখতে পেতেন যে, তাদের গুহা থেকে পাশ কেটে ডান দিকে চলে যেতে। আর যখন সূর্য অস্ত যেতো, তখন তাদেরকে বাম পাশ কেটে অতিক্রম করতো। অথচ তারা এ গুহার এক বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে ছিলো। এটি আল্লাহর নিদর্শন গুলোর মধ্যে থেকে অন্যতম একটি নিদর্শন। আল্লাহ যাকে সৎপথে চালান, সুতরাং সেই সৎপথ প্রাপ্ত হয়। আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, সুতরাং আপনি কখনোই তার জন্যে কোনো অভিভাবক ও পথ প্রদর্শনকারী পাবেন না। (১৮. আল কাহফ : ১৭)
- ব্যাখ্যা
(১৮) আপনি তাদেরকে মনে করতেন যে, তারা জাগ্রত, অথচ তারা ঘুমন্ত। আমি তাদেরকে ডান দিকে ও বাম দিকে পাশ ফিরিয়ে দিতাম। তাদের কুকুরটি তার সামনের পা দুটি গুহার প্রবেশ পথে প্রসারিত করে থাকতো। আপনি যদি তাদেরকে উঁকি দিয়ে দেখতেন, তবে আপনি দ্রুত গতিতে ভয়ে পিছন ফিরে পালাতেন। আর আপনি তাদের ভয়ে আতঙ্ক গ্রস্ত হয়ে পড়তেন। (১৮. আল কাহফ : ১৮)
- ব্যাখ্যা
(১৯) এইভাবে আমি তাদেরকে জাগিয়ে তুলেছিলাম, যেনো তারা তাদের নিজেদের মধ্যে জিজ্ঞাসা করে। তাদের মধ্যে একজন বক্তা বললো, “তোমরা কত সময় অবস্থান করেছো?” তারা বললো, “আমরা একদিন অথবা একদিনের কিছু অংশ অবস্থান করেছি।” তারা বললো, “তোমাদের প্রভু ঐ সম্পর্কে ভালো জানেন, তোমরা কতক্ষণ অবস্থান করেছো। সুতরাং তোমরা এখন তোমাদের একজনকে তোমাদের এই মুদ্রা দিয়ে শহরের দিকে প্রেরণ করো। সে যেনো দেখে কোন খাবারটি পবিত্র। তারপর সে যেনো তোমাদের জন্যে তা থেকে কিছু খাবার নিয়ে আসে। সে যেনো সতর্কতার সাথে যায়। সে যেনো তোমাদের সম্পর্কে কাউকে কিছু জানতে না দেয়। (১৮. আল কাহফ : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২০) নিশ্চয় তারা যদি তোমাদের সম্পর্কে জানতে পারে, তবে তারা পাথর মেরে তোমাদেরকে হত্যা করবে, অথবা তোমাদেরকে তাদের ধর্মের মাঝে ফিরিয়ে নিবে। আর তখন তোমরা কখনোই সাফল্য লাভ করতে পারবে না।” (১৮. আল কাহফ : ২০)
- ব্যাখ্যা