(৫) এ কথা সম্পর্কে তাদের কোনো জ্ঞান নেই আর তাদের পিতৃ-পুরুষদেরও নেই। এ এক সাংঘাতিক কথা, যা তাদের মুখ থেকে বের হচ্ছে। তারা মিথ্যা ব্যতীত অন্য কিছুই বলে না। (১৮. আল কাহফ : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৭) নিশ্চয় পৃথিবীর উপরে যা কিছু আছে সেগুলোকে আমি এই পৃথিবীর জন্যে শোভা করেছি, যেনো আমি জ্বিন ও মানুষকে পরীক্ষা করতে পারি যে, তাদের মধ্যে কে সব চেয়ে উত্তম কাজ করে। (১৮. আল কাহফ : ৭)
- ব্যাখ্যা
(১০) যখন কিছু যুবকরা পাহাড়ের গুহার নিকট আশ্রয় নিলো। তারপর তারা বললো, “হে আমাদের প্রভু, আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ দান করুন আর আমাদের সকল কাজে কল্যাণের পথকে সহজ করে দিন।” (১৮. আল কাহফ : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১২) তারপর আমি তাদেরকে পুনরায় জীবিত করি, যেনো আমি জানতে পারি যে, যুবকরা ও তার জাতির মধ্যে এ ব্যপারে কারা অধিক নির্ণয় করতে পারে যে, তারা কত সময় অবস্থান করেছিলো। (১৮. আল কাহফ : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) আমি আপনার কাছে তাদের কাহিনী সঠিক ভাবে বর্ণনা করছি। নিশ্চয় তারা ছিলো কয়েকজন যুবক। তারা তাদের প্রভুর প্রতি বিশ্বাস করেছিলো। আর আমি তাদের জন্যে সৎপথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম। (১৮. আল কাহফ : ১৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৪) যখন তারা তাদের অবিশ্বাসী জাতির কাছ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ছিলো, তখন আমি তাদের মনকে দৃঢ় করেছিলাম। তারপর তারা বললো, “আল্লাহ আমাদের প্রভু, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রভু। আমরা কখনোই তাঁকে ছেড়ে দিয়ে অন্য কোনো উপাস্যকে আহবান করবো না। এমন করলে সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই আমরা চরম অবাস্তব কথা বলবো। (১৮. আল কাহফ : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৫) এরা আমাদেরই জাতি, এরা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে অনেক উপাস্য গ্রহণ করেছে। তারা এই উপাস্যদের সম্পর্কে প্রকাশ্য প্রমাণ নিয়ে আসে না কেনো? সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, তার চাইতে বেশি অন্যায়কারী আর কে? (১৮. আল কাহফ : ১৫)
- ব্যাখ্যা