(১০৫) আমি সত্যসহ এ কুরআনকে অবতীর্ণ করেছি আর অবশ্যই সত্যসহ এ কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। আর আমি আপনাকে সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০৫)
- ব্যাখ্যা
(১০৬) আমি কুরআনকে যতিচিহ্ন সহ খন্ড-খন্ড করে পাঠের উপযোগী করে ভাগ করেছি। যেনো আপনি এ কুরআনকে লোকদের কাছে থেমে থেমে পাঠ করেন। আর আমি এ কুরআনকে পর্যায়ক্রমে অবতীর্ণ করেছি। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০৬)
- ব্যাখ্যা
(১০৭) আপনি বলুন, “তোমরা এ কুরআনের প্রতি বিশ্বাস করো অথবা তোমরা বিশ্বাস নাই করো তাতে আল্লাহর কিছুই আসে যায় না।” নিশ্চয় যাদেরকে এর আগে আল্লাহর পক্ষ থেকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছিলো, যখন তাদের কাছে কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তারা নতমস্তকে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০৭)
- ব্যাখ্যা
(১১০) আপনি বলুন, “তোমরা আল্লাহ বলে ডাকো অথবা দয়াময় বলে ডাকো, যে নামেই তোমরা আল্লাহকে ডাকো না কেনো, সব সুন্দর নাম তাঁর জন্যেই।” আপনি আপনার নিজের নামায আদায়ের সময় স্বর উচ্চ করে পড়বেন না এবং নিঃশব্দেও পড়বেন না। বরং এই উভয়ের মধ্যম পথ অবলম্বন করুন, সুতরাং আপনি নিচু শব্দে নামায পড়ুন। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১১০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১১) আপনি বলুন, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি। আর এই বিশাল সম্রাজ্যে তাঁর কোনো অংশীদার নেই। তিনি দুর্দশাগ্রস্ত হন না, যে কারণে তাঁর জন্যে কোনো রক্ষাকারী প্রয়োজন হতে পারে।” সুতরাং আপনি আল্লাহর মাহাত্ম্য ঘোষণা করতে থাকুন, যেভাবে আল্লাহর মাহাত্ম্য ঘোষণা করা উচিত। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১১১)
- ব্যাখ্যা
(১) সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি নিজ বান্দার প্রতি ধর্ম গ্রন্থ রূপে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন আর এ কুরআনের মধ্যে কোনো বক্রতা রাখেননি। (১৮. আল কাহফ : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) আল্লাহ কুরআনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন, যেনো কুরআন তাঁর পক্ষ থেকে আসা ভীষণ বিপদ সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করতে পারে এবং যারা সৎকর্ম করে এমন বিশ্বাসীদেরকে কুরআন সুসংবাদ দান করে যে, তাদের জন্যে উত্তম প্রতিদান স্বরূপ বেহেশত রয়েছে। (১৮. আল কাহফ : ২)
- ব্যাখ্যা