শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


وَمَن يَهۡدِ ٱللَّهُ فَهُوَ ٱلۡمُهۡتَدِۖ وَمَن يُضۡلِلۡ فَلَن تَجِدَ لَهُمۡ أَوۡلِيَآءَ مِن دُونِهِۦۖ وَنَحۡشُرُهُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمۡ عُمۡيٗا وَبُكۡمٗا وَصُمّٗاۖ مَّأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُۖ كُلَّمَا خَبَتۡ زِدۡنَٰهُمۡ سَعِيرٗا ٩٧
(৯৭) আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তবে ঐ ব্যক্তিই সঠিক পথপ্রাপ্ত। আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, সুতরাং তাদের জন্যে আপনি আল্লাহকে বাদ দিয়ে কোনো অভিভাবক পাবেন না। আমি কিয়ামতের দিন তাদেরকে তাদের মুখের উপরে ভর দিয়ে চলা অবস্থায়, অন্ধ অবস্থায়, বোবা অবস্থায় এবং বধির অবস্থায় সমবেত করবো। তাদের ঠিকানা হচ্ছে দোযখ। যখনই আগুন নিভে যাওয়ার উপক্রম হবে, আমি তখন তাদের জন্যে আগুন আরও বৃদ্ধি করে দিবো। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৯৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ذَٰلِكَ جَزَآؤُهُم بِأَنَّهُمۡ كَفَرُواْ بِـَٔايَٰتِنَا وَقَالُوٓاْ أَءِذَا كُنَّا عِظَٰمٗا وَرُفَٰتًا أَءِنَّا لَمَبۡعُوثُونَ خَلۡقٗا جَدِيدًا ٩٨
(৯৮) এ দোযখই হচ্ছে তাদের প্রতিদান। কারণ তারা আমার নিদর্শনকে অস্বীকার করেছিলো। আর তারা বলেছিলো যে, “কী! আমরা যখন হাড় ও চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাবো, তখনো কি আমরা নতুন ভাবে সৃষ্টি হয়ে পুনরায় জীবিত হবো?” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৯৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

۞أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِي خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ قَادِرٌ عَلَىٰٓ أَن يَخۡلُقَ مِثۡلَهُمۡ وَجَعَلَ لَهُمۡ أَجَلٗا لَّا رَيۡبَ فِيهِ فَأَبَى ٱلظَّٰلِمُونَ إِلَّا كُفُورٗا ٩٩
(৯৯) তারা কি দেখেনি যে, তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছেন, তবে কি আল্লাহ এর উপরে সক্ষম নন যে, তাদের অনুরূপ মানুষ পুনরায় সৃষ্টি করতে? তিনি তাদের জন্যে একটি নির্দিষ্ট সময় স্থির করে রেখেছেন, এ কিয়ামতের সময়ের মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই। তারপরেও অন্যায়কারীরা আল্লাহকে অস্বীকার না করে থাকেনি। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৯৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

قُل لَّوۡ أَنتُمۡ تَمۡلِكُونَ خَزَآئِنَ رَحۡمَةِ رَبِّيٓ إِذٗا لَّأَمۡسَكۡتُمۡ خَشۡيَةَ ٱلۡإِنفَاقِۚ وَكَانَ ٱلۡإِنسَٰنُ قَتُورٗا ١٠٠
(১০০) আপনি বলুন, “তোমরা যদি আমার প্রভুর অনুগ্রহ ভান্ডারের অধিকারী হতে, তাহলে খরচ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তোমরা অবশ্যই তা ধরে রাখতে। বস্তুত মানুষ হচ্ছে অতিশয় কৃপণ।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَلَقَدۡ ءَاتَيۡنَا مُوسَىٰ تِسۡعَ ءَايَٰتِۭ بَيِّنَٰتٖۖ فَسۡـَٔلۡ بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ إِذۡ جَآءَهُمۡ فَقَالَ لَهُۥ فِرۡعَوۡنُ إِنِّي لَأَظُنُّكَ يَٰمُوسَىٰ مَسۡحُورٗا ١٠١
(১০১) অবশ্যই আমি মূসাকে নয়টি স্পষ্ট নিদর্শন দিয়েছিলাম। সুতরাং আপনি এ নিদর্শনের বিষয়ে ইসরাঈলের সন্তানদেরকে জিজ্ঞেস করুন। যখন মূসা তাদের কাছে এসেছিলেন, তখন ফিরআউন তাঁকে বলেছিলো যে, “হে মূসা, নিশ্চয় আমি তোমাকে মনে করি যে, তুমি একজন জাদুগ্রস্থ ব্যক্তি।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০১) - ব্যাখ্যা , হাদিস
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা , হাদিস

قَالَ لَقَدۡ عَلِمۡتَ مَآ أَنزَلَ هَٰٓؤُلَآءِ إِلَّا رَبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ بَصَآئِرَ وَإِنِّي لَأَظُنُّكَ يَٰفِرۡعَوۡنُ مَثۡبُورٗا ١٠٢
(১০২) মূসা বললেন, “অবশ্যই তুমি জানো যে, এইসব নিদর্শন জ্ঞানীদের জন্যে প্রত্যক্ষ প্রমাণ স্বরূপ আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন, যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রভু। আর হে ফিরআউন, নিশ্চয় আমি তোমাকে মনে করি যে, তুমি ধ্বংস প্রাপ্ত।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأَرَادَ أَن يَسۡتَفِزَّهُم مِّنَ ٱلۡأَرۡضِ فَأَغۡرَقۡنَٰهُ وَمَن مَّعَهُۥ جَمِيعٗا ١٠٣
(১০৩) তারপর ফিরআউন চাইলো যে, ইসরাঈলের সন্তানদেরকে দেশ থেকে উচ্ছেদ করতে, তখন আমি ফিরআউনকে ও তার সঙ্গে যারা ছিলো তাদের সবাইকে সমুদ্রের মধ্যে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

وَقُلۡنَا مِنۢ بَعۡدِهِۦ لِبَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ ٱسۡكُنُواْ ٱلۡأَرۡضَ فَإِذَا جَآءَ وَعۡدُ ٱلۡأٓخِرَةِ جِئۡنَا بِكُمۡ لَفِيفٗا ١٠٤
(১০৪) তারপরে আমি ইসরাঈলের সন্তানদেরকে বলেছিলাম যে, “তোমরা এ দেশে বসবাস করো। তারপর যখন পরকালের প্রতি‌শ্রুতি এসে পড়বে, তখন আমি তোমাদের সবাইকে জড়ো করে একত্রে উপস্থিত করবো।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা