(৭৬) অবশ্যই তারা আপনাকে এই দেশ থেকে উৎখাত করে দিতে চুড়ান্ত চেষ্টা করেছিলো, যেনো তারা আপনাকে এই মক্কা থেকে বের করে দিতে পারে। তখন তারাও আপনার পরে সেখানে, অল্প দিনই টিকে থাকতো। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৭৬)
- ব্যাখ্যা
(৭৮) হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সূর্য হেলে পড়ার সময় থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত যোহর, আছর, মাগরীব ও এশার নামায প্রতিষ্ঠিত করুন। আর ফজরের সময় কুরআন পাঠও প্রতিষ্ঠিত করুন। নিশ্চয় ফজরের কুরআন পাঠের সময় মানুষ ও ফেরেশতারা উপস্থিত হয়। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৭৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭৯) সুতরাং আপনি রাতের মধ্যে কিছু অংশে কুরআন পাঠ দ্বারা নামাযে জাগ্রত থাকুন। এ নামায আপনার জন্যে অতিরিক্ত। এমন হতে পারে যে, এ নামাযের কারণে আপনার প্রভু আপনাকে সুপ্রশংসিত স্থানে পৌঁছে দিবেন। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৭৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮০) আপনি বলুন, “হে আমার প্রভু! আমাকে মদীনার মধ্যে সত্যের সাথে প্রবেশ করান। আর আমাকে মক্কা থেকে সত্যের সাথে বের করুন। আর আমাকে আপনার নিজের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সাহায্য দান করুন।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৮০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮২) আমি কুরআনের মধ্যে এমন বিষয় অবতীর্ণ করি, যা রোগের সুচিকিৎসা আর বিশ্বাসীদের জন্যে অনুগ্রহ। আর কুরআন জালেমদের জন্যে ক্ষতিই বৃদ্ধি করে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৮২)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) আমি যখন মানুষের উপরে অনুগ্রহ দান করি, তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় আর পাশ কাটিয়ে যায়। আর যখন তাকে কোনো অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে একেবারে হতাশ হয়ে যায়। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) আপনি বলুন, “প্রত্যেকেই তার নিজ রীতি অনুযায়ী কাজ করে।” সুতরাং কে অধিক সৎপথ প্রাপ্ত, আপনার প্রভু তা ভালো ভাবেই জানেন। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮৫) তারা আপনাকে আত্মা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলুন, “আত্মা আমার প্রভুর আদেশ ঘটিত। বস্তুত তোমাদেরকে এ বিষয়ে সামান্য জ্ঞান দেওয়া হয়েছে।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৮৬) আমি যদি ইচ্ছা করতাম, তবে কুরআনকে অবশ্যই প্রত্যাহার করতাম, যে কুরআন আমি আপনার কাছে ওহী করেছি। তখন আপনি কুরআনকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আমার বিরুদ্ধে আপনার জন্যে কোনো অভিভাবক পেতেন না। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৮৬)
- ব্যাখ্যা