(১৮৭) তোমাদের জন্যে রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের কাছে গমন বৈধ করা হলো। তারা তোমাদের জন্যে পোশাক স্বরূপ ও তোমরা তাদের জন্যে পোশাক স্বরূপ। আল্লাহ জানেন যে, তোমরা তোমাদের নিজেদের প্রতি প্রতারণা করছিলে, তাই তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন ও তোমাদের ভুলকে উপেক্ষা করেছেন। সুতরাং এখন তোমরা তাদের সঙ্গে সাহবাস করো আর আল্লাহ তোমাদের জন্যে যে বিধান সমূহ লিখে দিয়েছেন তা অনুসরণ করো। তোমরা আহার করো ও পান করো, যে পর্যন্ত না, তোমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে রাতের কালো রেখা থেকে ভোরের সাদা রেখা। তারপর তোমরা রাত পর্যন্ত রোযা সম্পূর্ণ করো। যখন তোমরা মসজিদের মধ্যে এতেকাফ করো, তখন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদেরকে স্পর্শ করো না। এ হচ্ছে আল্লাহর সীমা। সুতরাং তোমরা আল্লাহর সীমা সমূহ লঙ্ঘনের উদ্দেশ্যে এর কাছেও যেও না। এইভাবে আল্লাহ তাঁর বাণী সমূহ মানুষের জন্যে সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন, যেনো তারা আল্লাহকে ভয় করে। (২. আল বাক্বারাহ : ১৮৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৮৮) তোমরা তোমাদের পরস্পরের মধ্যে তোমাদের নিজেদের সম্পদ অন্যায় ভাবে ভোগ করো না। আর তোমরা মানুষের সম্পদ থেকে কিছু অংশ অন্যায় ভাবে আত্মসাৎ করার উদ্দেশে, ঐ সম্পদের বিচার ভার শাসন কর্তৃপক্ষের নিকট তুলে দিও না এবং তোমরা জেনে বুঝে তা করো না। (২. আল বাক্বারাহ : ১৮৮)
- ব্যাখ্যা
(১৮৯) তারা আপনাকে নতুন চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলে দিন, “এটি মানুষের জন্যে বিভিন্ন কাজের ও হজ্বের জন্যে সময় নির্ধারক।” কল্যাণ এ নয় যে, তোমরা ঘরের পিছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করবে। বরং কেউ আল্লাহকে ভয় করলে সেটাই হচ্ছে কল্যাণ। তাই তোমরা ঘরের সামনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করো এবং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যেনো তোমরা সফল হতে পারো। (২. আল বাক্বারাহ : ১৮৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৯০) তোমরা তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো, যারা তোমাদের সঙ্গে অন্যায় ভাবে যুদ্ধ করে। আর তোমরা সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সীমালঙ্ঘন-কারীদেরকে ভালোবাসেন না। (২. আল বাক্বারাহ : ১৯০)
- ব্যাখ্যা