(৫৯) আমাকে নিদর্শন প্রেরণ করা থেকে এই কারণ বাধা দেয় যে, পূর্ববর্তীগণ নিদর্শনের প্রতি অবিশ্বাস করেছিলো। আমি ছামূদ জাতিকে স্পষ্ট নিদর্শন রূপে উটনী দিয়েছিলাম। তারপর তারা উটনীর প্রতি অন্যায় করেছিলো। আমি ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই নিদর্শন প্রেরণ করে থাকি। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬০) আপনি ঐ সময়কে স্মরণ করুন, যখন আমি আপনাকে বলেছিলাম যে, “নিশ্চয় আপনার প্রভু মানুষকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন আর যে দৃশ্য আমি আপনাকে দেখিয়েছিলাম, তা মানুষের জন্যে পরীক্ষা স্বরূপ বানিয়েছি। কুরআনের মধ্যে বর্ণিত অভিশপ্ত যাক্কুম বৃক্ষকেও পরীক্ষা স্বরূপ বানিয়েছি। আমি তাদেরকে ভয় দেখাই। কিন্তু এতে তাদের অবাধ্যতাই অধিক বৃদ্ধি পায়।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৬০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৬১) আমি যখন ফেরেশতাদেরকে বললাম, “তোমরা আদমকে সেজদা করো”, তখন ইবলীস ব্যতীত তারা সবাই সেজদা করলো। ইবলীস বললো, “আমি কি এমন ব্যক্তিকে সেজদা করবো, যাকে আপনি কাদা মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন?” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) ইবলীস বললো, “আপনি কি মনে করেন এই ব্যক্তিকে আমি সেজদা করবো, যাকে আপনি আমার উপরে মার্যাদা দিলেন? আপনি যদি আমাকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত সময় দেন, তবে আমি অল্প কয়েকজন ছাড়া তার বংশধরদের সবাইকে সমূলে ধ্বংস করে দিবো।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) আল্লাহ বললেন, “তুই এখান থেকে চলে যা, তারপর তাদের মধ্যে থেকে যে তোর অনুসরণ করবে, তাহলে পরিপূর্ণ প্রতিফল হিসেবে তোদের সবার শেষ পরিণতি হবে দোযখ। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) তুই তোর আওয়ায দ্বারা তাদের মধ্যে থেকে যাকে পারিস প্রতারিত কর। তুই তোর অশ্ব আরোহী ও পদাতিক বাহিনীর দ্বারা তাদের উপরে আক্রমণ কর। তুই তাদের সম্পদ ও সন্তান সমূহের মধ্যে অংশীদার হয়ে যা এবং তুই তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দে।” বস্তুত ছলনা ছাড়া শয়তান তাদেরকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয় না। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৬৪)
- ব্যাখ্যা
(৬৫) আল্লাহ আরো বললেন, “নিশ্চয় যারা আমার মনোনীত বান্দা, তাদের উপরে তোর কোনো ক্ষমতা চলবে না।” বস্তুত অভিভাবক রূপে আপনার প্রভুই যথেষ্ট। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৬) আল্লাহই তোমাদের প্রভু, যিনি তোমাদের জন্যে সমুদ্রের মধ্যে জাহাজকে চলমান করেন, যেনো তোমরা তার অনুগ্রহকে অনুসন্ধান করতে পারো। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি অতি দয়ালু। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৬৬)
- ব্যাখ্যা