(৩৯) এ কুরআন হচ্ছে আল্লাহর জ্ঞানের বাণী, যা আপনার প্রভু আপনার কাছে ওহী করেছেন। আপনি আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য স্থির করবেন না। তাহলে আপনি নিন্দিত ও আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দোযখের মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবেন। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) তোমাদের প্রভু কি তাহলে তোমাদের জন্যে পুত্র সন্তান নির্ধারণ করেছেন এবং নিজের জন্যে ফেরেশতাদেরকে কন্যা রূপে গ্রহণ করেছেন? নিশ্চয় তোমরা গুরুতর কথাবার্তা বলছো। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) অবশ্যই আমি এই কুরআনের মধ্যে আমার বাণী বিভিন্ন ভাবে ব্যাখ্যা দান করেছি, যেনো তারা চিন্তা করে। অথচ এই ব্যাখ্যা তাদের জন্যে বিমুখতা ব্যতীত অন্য কিছুই বৃদ্ধি করে না। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) আপনি বলুন, “যদি তাঁর সাথে অন্যান্য উপাস্য থাকতো, যেমন তোমরা বলছো; তবে ঐ দেবতারা সিংহাসনের অধিকারী আল্লাহর উপর প্রভাব বিস্তারের জন্যে কোনো পথ অনুসন্ধান করতো।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪২)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) সাত আকাশ ও পৃথিবী এবং এদের উভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, সবাই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। এমন কিছু নেই যা তাঁর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা ঘোষনা করে না। কিন্তু তাদের পবিত্রতা ঘোষণা তোমরা বুঝতে পারো না। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সহনশীল, ক্ষমাশীল। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) যখন আপনি কুরআন পাঠ করেন, তখন যারা পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে না, তাদের মধ্যে ও আপনার মধ্যে আমি অদৃশ্য পর্দা স্থাপন করেদেই। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) আর আমি তাদের হৃদয়ে উপরে আবরণ রেখে দিয়েছি, যেনো তারা এ কুরআনকে উপলব্ধি করতে না পারে আর তাদের কানের মধ্যে বধিরতা রেখে দিয়েছি, যেনো তারা কুরআনকে না শুনে। আপনি যখন কুরআনের মধ্যে আপনার প্রভুর একত্বতা উল্লেখ করেন, তখন তারা কুরআনের প্রতি অনীহা বশত তাদের পিঠ ঘুরিয়ে ফিরে যায়। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) যখন তারা আপনার কথার প্রতি কান পেতে শুনে, তখন কোনো তারা শুনে, আমি তা ভালো জানি। যখন জালেমরা গোপনে আলোচনার সময় তাদের স্বগোত্রীয় মুসলিমদেরকে বলে যে, “তোমরা তো একজন যাদুগ্রস্থ ব্যক্তিকে অনুসরণ করছো।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) আপনি দেখুন, তারা আপনার জন্যে কেমন উপমা বর্ণনা করে। তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে সুতরাং তারা আল্লাহর পথে আসতে পারবে না। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
(৪৯) তারা বলে, “কী! আমরা যখন হাড় ও চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাবো, তখনো কি আমরা নতুন সৃষ্টি রূপে পুনরায় জীবিত হবো?” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪৯)
- ব্যাখ্যা