(২৮) আপনি যদি আত্মীয়, অভাব গ্রস্ত ও পথচারীদেরকে কোনো সম্পদ দানের ব্যাপারে অপারগ হয়ে যান আর আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ প্রত্যাশা করেন ও ভবিষ্যতে তাদেরকে দান করতে চান, তাহলে আপনি তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বলুন। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ২৮)
- ব্যাখ্যা
(৩০) নিশ্চয় আপনার প্রভু যার জন্যে ইচ্ছা জীবিকা বাড়িয়ে দেন ও জীবিকা সঙ্কুচিত করে দেন। নিশ্চয় তিনি নিজ বান্দাদের সম্পর্কে ভালো ভাবে জানেন ও সব কিছু দেখেন। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) দারিদ্রের ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করো না। তাদেরকে ও তোমাদেরকে আমিই জীবিকা দিয়ে থাকি। নিশ্চয় সন্তানদেরকে হত্যা করা মহা অপরাধ। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) তোমরা ন্যায় ভাবে ব্যতীত ঐ প্রাণকে হত্যা করো না, যাকে আল্লাহ হত্যা করা অবৈধ করেছেন। যে ব্যক্তি অন্যায় ভাবে নিহত হয়, তবে অবশ্যই আমি তার অভিভাবককে প্রতিশোধ গ্রহণের অধিকার দিয়েছি। সুতরাং সে যেনো হত্যার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি না করে। নিশ্চয় সে সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩৩)
- ব্যাখ্যা
(৩৪) তোমরা পৃতিহীনদের সম্পদের কাছেও যেয়ো না, তবে কেবল মাত্র ঐ উদ্দেশ্য ব্যতীত যা শ্রেষ্ঠতম; যে পর্যন্ত না, ঐ পৃতিহীন তার যৌবনে পৌঁছে। আর তোমরা অঙ্গীকার পূর্ণ করো। নিশ্চয় অঙ্গীকার সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৫) তোমরা মেপে দেওয়ার সময় পূর্ণ মাপে দিয়ো। আর তোমরা সঠিক দাঁড়িপালায় ওজন করবে। এটিই উত্তম ও পরিণামে শ্রেষ্ঠ। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) যে বিষয়ে আপনার কোনো জ্ঞান নেই, আপনি ঐ বিষয়ের পিছনে পড়বেন না। নিশ্চয় শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও অন্তর এর প্রতিটি সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৭) তুমি পৃথিবীর মধ্যে দম্ভভরে চলাফেরা করো না। নিশ্চয় তুমি তো পৃথিবীকে কখনোই বিদীর্ণ করতে পারবে না। আর তুমি উচ্চতায় কখনোই পাহাড়ের সমান হতে পারবে না। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩৭)
- ব্যাখ্যা