(৮) হতে পারে যে, তোমাদের প্রভু তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন। কিন্তু যদি তোমরা পুনরায় অবাধ্যতা করো, তাহলে আমিও পুনরায় শাস্তি প্রেরণ করবো। বস্তুত আমি অবিশ্বাসীদের জন্যে দোযখকে কয়েদখানা বানিয়েছি। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) নিশ্চয় এই কুরআন ঐ দিকেই পথ দেখায়, যা সরল পথ। আর যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়ে সৎকর্ম করে, কুরআন তাদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্যে মহা পুরস্কার রয়েছে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) আর যারা পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে না, কুরআন তাদেরকে এমন সংবাদ দেয় যে, আমি তাদের জন্যে বেদনাদায়ক শাস্তি তৈরি করে রেখেছি। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১২) আমি রাত ও দিনকে দুটি নিদর্শন বানিয়েছি। তারপর আমি রাতের নিদর্শনকে নিষ্প্রভ করেছি। আর দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী করেছি। যেনো তোমরা তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে অনুগ্রহকে অনুসন্ধান করতে পারো। আর যেনো তোমরা বছর সমূহের গণনা ও হিসাব জানতে পারো। আমি সব কিছুকে কুরআনের মধ্যে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছি। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) আমি প্রত্যেক মানুষের কর্মকে তার গলার মধ্যে বেঁধে দিয়েছি। আমি কিয়ামতের দিনে তাকে একটি গ্রন্থ বের করে দেখাবো, যা সে খোলা অবস্থায় পাবে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৫) যে কেউ সৎপথে চলে, তবে সে কেবল মাত্র তার নিজের মঙ্গলের জন্যেই সৎপথে চলে। আর যে কেউ পথভ্রষ্ট হয়, তবে সে কেবল মাত্র তার নিজের অমঙ্গলের জন্যেই পথভ্রষ্ট হয়। কোনো বোঝা বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না। আমি কোনো জাতিকে শাস্তি দেই না, যে পর্যন্ত না, আমি তাদের প্রতি কোনো রসূল পাঠাই। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৬) আমি যখন ইচ্ছা করি যে, আমি কোনো জনপদকে ধ্বংস করবো, তখন আমি তার বিত্তবান লোকদের কাছে নবীদের মাধ্যমে সতর্কতার নির্দেশ পাঠাই, কিন্তু সেখানে তারা পাপাচারে মেতে উঠে। তখন ঐ জনপদের উপরে শাস্তির আদেশ অবধারিত হয়ে যায়। সুতরাং আমি তাকে সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করি। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭) নূহের পরে আমি অনেক জনপদকে ধ্বংস করেছি। আপনার প্রভু নিজ বান্দাদের পাপাচারের সংবাদ জানা ও দেখার জন্যে যথেষ্ট। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১৭)
- ব্যাখ্যা