(১) আল্লাহ পবিত্র, যিনি নিজ বান্দাকে রাতের বেলায় মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন, যার চার দিককে আমি মঙ্গলময় করেছি, যেনো আমি তাঁকে আমার কিছু নিদর্শন সমূহ দেখাতে পারি। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২) আমি মূসাকে ধর্ম গ্রন্থ রূপে তাওরাত দিয়েছিলাম। ইসরাঈলের সন্তানদের জন্যে আমি এ তাওরাতকে পথ-নির্দেশক বানিয়ে ছিলাম। আমি নির্দেশ দিয়েছিলাম যে, “তোমরা আমাকে ছেড়ে দিয়ে অন্য কোনো অভিভাবক গ্রহণ করো না। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) তোমরা তাদের বংশধর, যাদেরকে আমি নূহের সঙ্গে জাহাজে বহন করিয়েছিলাম। নিশ্চয় নূহ একজন কৃতজ্ঞ বান্দা ছিলেন।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪) আমি ইসরাঈলের সন্তানদের কাছে গ্রন্থের মধ্যে পরিষ্কার বলে দিয়েছিলাম যে, “অবশ্যই তোমরা পৃথিবীর মধ্যে দুইবার অশান্তি সৃষ্টি করবে আর তোমরা অতি বড় ধরনের অহঙ্কার করবে।” (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) সুতরাং যখন প্রতিশ্রুত ঐ দুই সময়ের প্রথম সময়টি এলো, তখন আমি তোমাদের বিরুদ্ধে অতিশয় শক্তির অধিকারী আমার যোদ্ধা বান্দাদেরকে প্রেরণ করলাম। তারপর তারা প্রতিটি ঘরের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়লো ও ধ্বংসলীলা শুরু করলো। বস্তুত এ অঙ্গীকার কার্যকর হওয়ারই ছিলো। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৫)
- ব্যাখ্যা
(৬) তারপর আমি তোমাদের জন্যে তাদের বিরুদ্ধে পালা ঘুড়িয়ে দিলাম। আমি তোমাদেরকে সম্পদ ও সন্তান সমূহ দিয়ে সাহায্য করলাম। আর আমি তোমাদেরকে জনসংখ্যার দিক দিয়ে একটা বিরাট বাহিনীতে পরিণত করলাম। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) তোমরা যদি ভালো কাজ করো, তবে তোমাদের নিজেদের জন্যেই ভালো করছো। আর তোমরা যদি মন্দ কাজ করো, তবে তা তোমাদের নিজেদের জন্যেই মন্দ করছো। তারপর যখন পরবর্তী দ্বিতীয় ঐ প্রতিশ্রুত সময়টি এলো, তখন আমি তোমাদের বিরুদ্ধে অন্য আরেক বান্দাদেরকে প্রেরণ করলাম। যেনো তারা তোমাদের মুখমন্ডলকে কালিমাচ্ছন্ন করতে পারে। আর যেনো তারা মসজিদে প্রবেশ করে, যেমন তারা প্রথমবার এ মসজিদে প্রবেশ করেছিলো। আর যেনো তারা যেখানেই যা কিছুর উপরে বিজয়ী হয়, সেখানেই যেনো তারা সব কিছুকে ধ্বংস করতে পারে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৭)
- ব্যাখ্যা