(১১১) ঐদিন প্রত্যেক ব্যক্তি আল্লাহর কাছে এমন ভাবে আসবে যে, সে আত্মরক্ষার জন্যে তার নিজের সম্পর্কে যুক্তি দিবে। প্রত্যেক ব্যক্তিকে ঐ কাজের পুরোপুরি প্রতিদান দেওয়া হবে, যে কাজ সে করেছে আর তাদের উপরে কোনো অন্যায় করা হবে না। (১৬. আন নাহল : ১১১)
- ব্যাখ্যা
(১১২) আল্লাহ একটি শহরের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করছেন, যা ছিলো নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত। ঐ শহরের কাছে প্রত্যেক জায়গা থেকে প্রচুর পরিমাণে জীবিকা আসতো। তারপর তারা আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো। তখন আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের কারণে ক্ষুধা ও ভীতির স্বাদ গ্রহণ করালেন। (১৬. আন নাহল : ১১২)
- ব্যাখ্যা
(১১৩) তাদের কাছে তাদের মধ্যে থেকেই একজন রসূল এসেছিলেন। কিন্তু তারা ঐ রসূলের প্রতি মিথ্যা আরোপ করলো। সুতরাং আমার শাস্তি তাদরকে পাকড়াও করলো। বস্তুত তারা অন্যায়কারী ছিলো। (১৬. আন নাহল : ১১৩)
- ব্যাখ্যা
(১১৪) আল্লাহ তোমাদেরকে যে বৈধ ও পবিত্র জীবিকা দিয়েছেন, তোমরা ঐ জীবিকা থেকে আহার করো। তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহের জন্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, যদি তোমরা একমাত্র তাঁকেই উপাসনা করে থাকো। (১৬. আন নাহল : ১১৪)
- ব্যাখ্যা
(১১৫) কেবল মাত্র আল্লাহ তোমাদের উপরে অবৈধ করেছেন যে প্রাণী নিজে মরে গেছে, রক্ত, শুকরের গোস্ত আর যার উপরে জবাইয়ের সময় আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম নেওয়া হয়েছে। সুতরাং যে কেউ নিরুপায় হয়ে পড়ে, আল্লাহর প্রতি অবাধ্য না হয়ে বা মাত্রা না ছাড়িয়ে অবৈধ খাদ্য খেয়ে ফেলে, তবে নিশ্চয় আল্লাহ তার প্রতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (১৬. আন নাহল : ১১৫)
- ব্যাখ্যা
(১১৬) যেহেতু তোমাদের জিহবা মিথ্যা বর্ণনা করায় অভ্যস্ত, তাই তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা রচনা করে এ কথা বলো না যে, “এটি বৈধ ও এটি অবৈধ।” নিশ্চয় যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা রচনা করে, তারা কখনোই সফল হবে না। (১৬. আন নাহল : ১১৬)
- ব্যাখ্যা
(১১৮) যারা ইহুদী, আমি তাদের উপরে কেবল মাত্র তাই অবৈধ করেছিলাম, যা ইতিপূর্বে আমি আপনার নিকট বর্ণনা করেছি। আমি তাদের প্রতি কোনো অন্যায় করিনি, কিন্তু তারাই তাদের নিজেদের উপরে অন্যায় করেছিলো। (১৬. আন নাহল : ১১৮)
- ব্যাখ্যা