(৯৪) হে বিশ্বাসীরা! তোমরা তোমাদের স্বীয় শপথকে, তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ছলনা হিসেবে গ্রহণ করো না। তাহলে তোমাদের পা সুপ্রতিষ্ঠিত হবার পরেও ফসকে যাবে। যেহেতু তোমরা ছলনাময় শপথের দ্বারা মানুষকে আল্লাহর পথে বাধা দান করো, সুতরাং তোমরা পরকালে এ অপরাধের বিনিময়ে মন্দ শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করবে ও তোমাদের জন্যে পরকালে কঠোর শাস্তি থাকবে। (১৬. আন নাহল : ৯৪)
- ব্যাখ্যা
(৯৫) তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকারকে সামান্য মূল্যের বিনিময়ে বিক্রি করো না। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে যে সম্পদ আছে, তা তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা জানতে! (১৬. আন নাহল : ৯৫)
- ব্যাখ্যা
(৯৬) তোমাদের কাছে যে সম্পদ আছে তা শেষ হয়ে যাবে আর আল্লাহর কাছে যে সম্পদ আছে, তা স্থায়ী। যারা ধৈর্য্যধারণ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের কারণে শ্রেষ্ঠ প্রতিদান দিবো। (১৬. আন নাহল : ৯৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯৭) বিশ্বাসী পুরুষ অথবা নারী যে কেউ সৎকর্ম করবে, সুতরাং তাকে আমি পবিত্র জীবন যাপন করতে দিবো। আমি অবশ্যই তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের কারণে শ্রেষ্ঠ প্রতিদান দিবো। (১৬. আন নাহল : ৯৭)
- ব্যাখ্যা
(১০১) আমি যখন এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াত পরিবর্তন করি আর আল্লাহ ভালোই জানেন তিনি কী অবতীর্ণ করবেন, তখন এই অবিশ্বাসীরা বলে, “আপনি তো কেবল মাত্র একজন মনগড়া উক্তিকারী।” বরং তাদের অধিকাংশ লোকই সত্য জানে না। (১৬. আন নাহল : ১০১)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস