(৮৮) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে ও আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে, আমি তাদের জন্যে শাস্তির উপরে শাস্তি বাড়িয়ে দিবো, যেহেতু তারা অশান্তি সৃষ্টি করতো। (১৬. আন নাহল : ৮৮)
- ব্যাখ্যা
(৮৯) ঐদিন আমি প্রত্যেক জাতির মধ্যে থেকেই তাদের বিপক্ষে একজন সাক্ষী দাঁড় করাবো। আর এদের বিপক্ষে আমি আপনাকে সাক্ষীরূপে আনবো। আমি আপনার প্রতি ধর্ম গ্রন্থ রূপে কুরআন অবতীর্ণ করেছি, এ কুরআন এমন যে, তা প্রত্যেক বস্তুর জন্যে সুস্পষ্ট বর্ণনা, পথ-নির্দেশ, দয়া এবং মুসলিমদের জন্যে সুসংবাদ স্বরূপ। (১৬. আন নাহল : ৮৯)
- ব্যাখ্যা
(৯০) নিশ্চয় আল্লাহ ন্যায় বিচারের, সৎ আচরণের আর নিকট আত্মীয়কে দান করার আদেশ দেন। আর আল্লাহ অশ্লীলতা, অসৎ কাজ ও অবাধ্যতা থেকে নিষেধ করেন। আল্লাহ তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন, যেনো তোমরা স্মরণ রাখো। (১৬. আন নাহল : ৯০)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯১) যখন তোমরা আল্লাহর নামে কোনো অঙ্গীকার করো, তখন তোমরা ঐ অঙ্গীকারকে পূর্ণ করো। আর যখন তোমরা আল্লাহকে তোমাদের উপরে জামিন করো, তখন তোমরা পাকাপাকি শপথ করার পরে ঐ শপথকে ভঙ্গ করো না। নিশ্চয় তোমরা যা করো, আল্লাহ তা জানেন। (১৬. আন নাহল : ৯১)
- ব্যাখ্যা
(৯২) তোমরা ঐ মহিলার মতো হয়ো না, যে তার সূতা মজবুত করে বোনার পরে, তা টুকরো টুকরো করে খুলে ফেলে। তোমরা নিজেদের শপথকে তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ছলনা হিসেবে গ্রহণ করছো, এজন্যে যে, যেনো তোমাদের এক দল, অন্য দলের চাইতে ক্ষমতাশীল হতে পারো। কেবল মাত্র আল্লাহ তোমাদেরকে এ শপথের দ্বারা পরীক্ষা করে থাকেন। অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের কাছে কিয়ামতের দিন ঐ বিষয়কে সুস্পষ্ট করে দিবেন, যে বিষয়ে তোমরা মতভেদ করছো। (১৬. আন নাহল : ৯২)
- ব্যাখ্যা
(৯৩) আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে তোমাদের সবাইকে এক জাতি বানাতে পারতেন। কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিপথগামী করেন আর যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। তোমরা যা কিছু করছো, সে সম্পর্কে তোমাদেরকে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা হবে। (১৬. আন নাহল : ৯৩)
- ব্যাখ্যা