(৬৫) আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। তারপর এ পানি দিয়ে তিনি পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পরে জীবন্ত করেন। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ লোকদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা আল্লাহর কুরআনকে মন দিয়ে শুনে থাকে। (১৬. আন নাহল : ৬৫)
- ব্যাখ্যা
(৬৬) নিশ্চয় গবাদি পশুর মধ্যে তোমাদের জন্যে শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। গবাদি পশুর পেটে যে গোবর ও রক্ত আছে তার মধ্যে থেকে আমি যে খাঁটি দুধ তৈরি করি, তা আমি তোমাদেরকে পান করাই, যা পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু। (১৬. আন নাহল : ৬৬)
- ব্যাখ্যা
(৬৭) খেজুর গাছ ও আঙ্গুরের ফল থেকে তোমরা নেশাদায়ক পানীয় ও উত্তম জীবিকা পেয়ে থাকো। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ লোকদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা জ্ঞান রাখে। (১৬. আন নাহল : ৬৭)
- ব্যাখ্যা
(৬৮) আপনার প্রভু মৌমাছির প্রতি নির্দেশ দিলেন যে, “তুমি পাহাড়ে ও গাছের মধ্যে তোমার বাসা তৈরি করো। আর মানুষেরা যে ঘরকে উঁচু করে তৈরি করে, তার মধ্যেও তুমি মৌচাক তৈরি করো। (১৬. আন নাহল : ৬৮)
- ব্যাখ্যা
(৬৯) তারপর তুমি প্রত্যেক ফল থেকে খাও। তারপর তুমি আপন প্রভুর উম্মুক্ত করা পথকে অনুসরণ করো।” এই মৌমাছিদের পেট থেকে এক প্রকার মধু বেরিয়ে আসে। এই মধুর রং বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। এই মধুর মধ্যে মানুষের জন্যে অনেক রোগের প্রতিকার রয়েছে। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ লোকদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা চিন্তা করে। (১৬. আন নাহল : ৬৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭০) আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তারপর তিনি তোমাদেরকে মৃত্যুদান করবেন। তোমাদের মধ্যে এমনো ব্যক্তি আছে যে ব্যক্তি, জরাগ্রস্ত বয়স পর্যন্ত পৌছে যায়, ফলে জ্ঞান লাভের পরে, ঐ সম্পর্কে তার কোনো কিছুই মনে থাকে না। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (১৬. আন নাহল : ৭০)
- ব্যাখ্যা
(৭১) আল্লাহ তোমাদের জীবিকার মধ্যে একজনকে অন্যজনের উপরে শ্রেষ্টত্ব দিয়েছেন। তারপর যাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা তাদেরকে প্রদত্ত জীবিকা থেকে তাদের দাস-দাসীদেরকে এমন কিছুই দেয় না, যেনো তাদের দাস-দাসীরা এ জীবিকার বিষয়ে তাদের সমান হয়ে যায়। তবে কি তারা আল্লাহর অনুগ্রহকে অস্বীকার করে? (১৬. আন নাহল : ৭১)
- ব্যাখ্যা
(৭২) আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্যে থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদের যুগল থেকে সন্তান ও নাতি-নাতনী সৃষ্টি করেছেন। তোমাদেরকে উত্তম বস্তু থেকে জীবিকা দান করেছেন। তবুও কি তারা মিথ্যা বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস করবে ও আল্লাহর অনুগ্রহ সমূহকে অবিশ্বাস করবে? (১৬. আন নাহল : ৭২)
- ব্যাখ্যা