(৫৫) যেনো তারা আমার ঐ অনুগ্রহকে অস্বীকার করতে পারে, যা আমি তাদেরকে দিয়েছি। সুতরাং তোমরা মজা ভোগ করে নাও, শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে। (১৬. আন নাহল : ৫৫)
- ব্যাখ্যা
(৫৬) আমি তাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, ঐ জীবিকা থেকে তারা তাদের দেবতাদের জন্যে একটি অংশ নির্ধারণ করে, যে সম্পর্কে তারা সত্য কিছুই জানে না। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ সম্পর্কে তোমরা যে মিথ্যা উদ্ভাবন করতে, ঐ সম্পর্কে তোমাদেরকে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা হবে। (১৬. আন নাহল : ৫৬)
- ব্যাখ্যা
(৫৭) তারা আল্লাহর জন্যে কন্যা সন্তান নির্ধারণ করে, বরং আল্লাহ অতি পবিত্র! অথচ তারা তাদের নিজেদের জন্যে পুত্র সন্তান নির্ধারণ করে। (১৬. আন নাহল : ৫৭)
- ব্যাখ্যা
(৫৮) যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখ কালো হয়ে যায় আর অসহ্য মনের দুঃখে সে বড়ই ব্যথিত হয়। (১৬. আন নাহল : ৫৮)
- ব্যাখ্যা
(৫৯) তাকে কন্যা সন্তানের যে সংবাদ দেওয়া হয়েছে, ঐ কারণে সে দুঃখে লোকদের থেকে নিজেকে লুকিয়ে রাখে। সে ভাবে অপমান সহ্য করে এই কন্যা সন্তানকে রাখবে, না তাকে মাটির মধ্যে পুঁতে ফেলবে। তোমরা শুনে রেখো, তারা যা সিদ্ধান্ত করে, তা খুবই নিকৃষ্ট। (১৬. আন নাহল : ৫৯)
- ব্যাখ্যা
(৬০) যারা পরকালের প্রতি বিশ্বাস করে না, তাদের উদাহরণ হলো নিকৃষ্ট আর আল্লাহর উদাহরণ হলো সুউচ্চ মহান। তিনি হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (১৬. আন নাহল : ৬০)
- ব্যাখ্যা
(৬১) যদি আল্লাহ মানুষকে তাদের অন্যায় কাজের কারণে পাকড়াও করতেন, তবে তিনি এ ভূপৃষ্ঠের উপরে চলমান কোনো প্রানীকেই ছাড়তেন না। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দিয়ে থাকেন। তারপর যখন নির্ধারিত সময়ে তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন তারা এক মুহুর্তও বিলম্ব কিংবা দ্রুত করতে পারবে না। (১৬. আন নাহল : ৬১)
- ব্যাখ্যা
(৬২) যা তারা নিজেদের জন্যে অপছন্দ করে, তা তারা আল্লাহর জন্যে সাব্যস্ত করে। তাদের জিহবা মিথ্যা বর্ণনা করে যে, তাদের জন্যেই কল্যাণ রয়েছে। কোনো সন্দেহ নেই যে, তাদের জন্যে আগুন রয়েছে। শীঘ্রই তাদেরকে আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করা হবে। (১৬. আন নাহল : ৬২)
- ব্যাখ্যা
(৬৩) আল্লাহর শপথ! অবশ্যই আমি আপনার পূর্বে বিভিন্ন জাতির কাছে রসূল প্রেরণ করেছিলাম, তারপর শয়তান তাদের কাছে তাদের কাজকে শোভনীয় করে দেখিয়েছিলো। এই কারণে আজ শয়তান তাদের অভিভাবক হয়েছে। বস্তুত তাদের জন্যে পরকালে বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। (১৬. আন নাহল : ৬৩)
- ব্যাখ্যা
(৬৪) আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছি, যেনো আপনি তাদেরকে ঐ বিষয়ে পরিষ্কার বর্ণনা করে দেন, যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করছে। আর পথ-নির্দেশ ও অনুগ্রহ স্বরূপ কুরআনকে ঐ লোকদের জন্যে অবতীর্ণ করা হয়েছে, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে। (১৬. আন নাহল : ৬৪)
- ব্যাখ্যা