(৩৫) যারা অংশীদার করে, তারা বলে যে, “আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে আমরা বা আমাদের পিতৃ-পুরুষরা আল্লাহকে ছেড়ে দিয়ে অন্য কোনো কিছুর উপাসনা করতাম না আর আমরা আল্লাহর নির্দেশ ছেড়ে দিয়ে কোনো কিছু নিষিদ্ধ করতাম না।” এইভাবেই তাদের পূর্বে যারা ছিলো, তারাও এমনই আচরণ করতো। সুতরাং রসূলগণের উপরে আল্লাহর বাণী সুস্পষ্ট ভাবে পৌঁছে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো দায়িত্ব আছে কি? (১৬. আন নাহল : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) অবশ্যই আমি প্রত্যেক জাতির মধ্যেই রসূল পাঠিয়েছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর উপাসনা করো এবং তোমরা শয়তানকে বর্জন করো। তারপর তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক ছিলো, যাদেরকে আল্লাহ সৎপথে পরিচালিত করেছেন আর তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক ছিলো, যাদের উপরে বিপথগামিতা অবধারিত হয়েছে। সুতরাং তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ করো তারপর তোমরা দেখো যে, মিথ্যা আরোপকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছিলো। (১৬. আন নাহল : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) যদিও আপনি তাদেরকে সুপথে আনতে আগ্রহী হন, তবে বাস্তবতা হলো এই যে, আল্লাহ তাকে পথ দেখান না, যাকে তিনি বিপথগামী করেন এবং তাদের জন্যে কোনো সাহায্যকারীও নেই। (১৬. আন নাহল : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) তারা তাদের জোরালো শপথের দ্বারা আল্লাহর নামে শপথ করে যে, “যার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে পুনরায় জীবিত করবেন না।” বরং পুনরায় জীবিত করার বিষয়ের উপরে পাকাপোক্ত সত্য অঙ্গীকার করা হয়ে গেছে, কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না, (১৬. আন নাহল : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) আল্লাহ পুনরায় জীবিত করার অঙ্গীকার করেছেন, যেনো যে বিষয়ে তারা মতভেদ করেছে, ঐ বিষয় তাদের কাছে প্রকাশ করা যায়। আর যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে তারা যেনো জেনে নেয় যে, তারা মিথ্যাবাদী ছিলো। (১৬. আন নাহল : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) আমি যখন কোনো কিছু করার ইচ্ছা করি, তখন আমি তাকে কেবল মাত্র এতটুকুই বলি যে, “তুমি হয়ে যাও”, সুতরাং তখনি তা হয়ে যায়। (১৬. আন নাহল : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) যারা তাদের প্রতি যে নির্যাতন করা হয়েছে, এরপরে আল্লাহর জন্যে দেশত্যাগ করেছে, আমি অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়ার মধ্যে উত্তম আবাস দিবো। আর পরকালের পুরস্কার অবশ্যই সর্বাধিক উত্তম। হায়! যদি তারা জানতো। (১৬. আন নাহল : ৪১)
- ব্যাখ্যা