শব্দে শব্দে বাংলা কুরআন

Word By Word Bangla Quran


ثُمَّ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ يُخۡزِيهِمۡ وَيَقُولُ أَيۡنَ شُرَكَآءِيَ ٱلَّذِينَ كُنتُمۡ تُشَٰٓقُّونَ فِيهِمۡۚ قَالَ ٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ إِنَّ ٱلۡخِزۡيَ ٱلۡيَوۡمَ وَٱلسُّوٓءَ عَلَى ٱلۡكَٰفِرِينَ ٢٧
(২৭) তারপর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন আর তিনি তাদেরকে বলবেন যে, “আমার অংশীদাররা কোথায়, যাদের ব্যাপারে তোমরা খুব তর্ক করতে?” যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছিলো তারা বলবে, “নিশ্চয় আজকের দিনে লাঞ্ছনা ও অমঙ্গল অবিশ্বাসীদের উপরেই।” (১৬. আন নাহল : ২৭) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ٱلَّذِينَ تَتَوَفَّىٰهُمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ ظَالِمِيٓ أَنفُسِهِمۡۖ فَأَلۡقَوُاْ ٱلسَّلَمَ مَا كُنَّا نَعۡمَلُ مِن سُوٓءِۭۚ بَلَىٰٓۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمُۢ بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ ٢٨
(২৮) অবিশ্বাসীরাই হচ্ছে তারা, যাদের প্রাণ ফেরেশতারা এমন অবস্থায় নিয়ে নেয় যে, তারা তাদের নিজেদের প্রতি অন্যায়কারী থাকা অবস্থায় মারা যায়। সুতরাং পরকালে তারা আ‌ত্মসমর্পণ করবে ও বলবে যে, “আমরা তো কোনো মন্দ কাজ করতাম না।” তখন অবিশ্বাসীদেরকে বলা হবে, “বরং, তোমরা যা কিছু করতে নিশ্চয় আল্লাহ ঐ বিষয়ে অবগত আছেন। (১৬. আন নাহল : ২৮) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَٱدۡخُلُوٓاْ أَبۡوَٰبَ جَهَنَّمَ خَٰلِدِينَ فِيهَاۖ فَلَبِئۡسَ مَثۡوَى ٱلۡمُتَكَبِّرِينَ ٢٩
(২৯) সুতরাং তোমরা দোযখের দরজা দিয়ে প্রবেশ করো, সেখানে অনন্তকাল থাকার জন্যে।” সুতরাং অহঙ্কারীদের বাসস্থান কতই না নিকৃষ্ট! (১৬. আন নাহল : ২৯) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

۞وَقِيلَ لِلَّذِينَ ٱتَّقَوۡاْ مَاذَآ أَنزَلَ رَبُّكُمۡۚ قَالُواْ خَيۡرٗاۗ لِّلَّذِينَ أَحۡسَنُواْ فِي هَٰذِهِ ٱلدُّنۡيَا حَسَنَةٞۚ وَلَدَارُ ٱلۡأٓخِرَةِ خَيۡرٞۚ وَلَنِعۡمَ دَارُ ٱلۡمُتَّقِينَ ٣٠
(৩০) যারা আল্লাহকে ভয় করে, তাদেরকে যখন বলা হয়, “তোমাদের প্রভু কী অবতীর্ণ করেছেন?” তখন তারা বলে, “আমাদের প্রভু আল্লাহ মহা কল্যাণ কুরআন অবতীর্ণ করেছেন।” যারা এ দুনিয়ার মধ্যে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে পরকালে কল্যাণ রয়েছে। পরকালের ঘর অবশ্যই অতি উত্তম। পরহেযগারদের ঘর কতই না উৎকৃষ্ট! (১৬. আন নাহল : ৩০) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

جَنَّٰتُ عَدۡنٖ يَدۡخُلُونَهَا تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُۖ لَهُمۡ فِيهَا مَا يَشَآءُونَۚ كَذَٰلِكَ يَجۡزِي ٱللَّهُ ٱلۡمُتَّقِينَ ٣١
(৩১) এই পরহেযগাররা চিরকাল বসবাসের এমন বাগানে প্রবেশ করবে, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়, সেখানে তারা যা চাইবে, তাদের জন্যে তাই থাকবে। এইভাবে আল্লাহ পরহেযগারদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকেন। (১৬. আন নাহল : ৩১) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

ٱلَّذِينَ تَتَوَفَّىٰهُمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ طَيِّبِينَ يَقُولُونَ سَلَٰمٌ عَلَيۡكُمُ ٱدۡخُلُواْ ٱلۡجَنَّةَ بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ ٣٢
(৩২) পরহেযগাররাই হচ্ছে তারা, যাদের আত্মা পবিত্র থাকা অবস্থায়, ফেরেশতা তাদের প্রাণ নিয়ে নেয়। ফেরেশতারা পরকালে পরহেযগারদেরকে বলবে যে, “তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। তোমরা যা করেছিলে, সেই জন্যে তোমরা বেহেশতে প্রবেশ করো।” (১৬. আন নাহল : ৩২) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

هَلۡ يَنظُرُونَ إِلَّآ أَن تَأۡتِيَهُمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ أَوۡ يَأۡتِيَ أَمۡرُ رَبِّكَۚ كَذَٰلِكَ فَعَلَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ وَمَا ظَلَمَهُمُ ٱللَّهُ وَلَٰكِن كَانُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ يَظۡلِمُونَ ٣٣
(৩৩) এই অবিশ্বাসীরা এ ছাড়া আর কিসের অপেক্ষা করছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতারা আসবে, অথবা আপনার প্রভুর শাস্তির নির্দেশ আসবে? এইভাবে তারাও অপেক্ষা করেছিলো যারা এদের পূর্বে ছিলো। আল্লাহ তাদের প্রতি অন্যায় করেননি, কিন্তু তারা তাদের নিজেদের প্রতিই অন্যায় করেছিলো। (১৬. আন নাহল : ৩৩) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

فَأَصَابَهُمۡ سَيِّـَٔاتُ مَا عَمِلُواْ وَحَاقَ بِهِم مَّا كَانُواْ بِهِۦ يَسۡتَهۡزِءُونَ ٣٤
(৩৪) সুতরাং তারা যে মন্দ কাজ করতো সেজন্যে, তাদেরকে শাস্তি পাকড়াও করেছিলো। তারা যা নিয়ে উপহাস করেছিলো, তাই তাদেরকে ঘেরাও করেছিলো। (১৬. আন নাহল : ৩৪) - ব্যাখ্যা
Facebook Twitter Whatsapp - ব্যাখ্যা

পূর্ববর্তী পৃষ্ঠা