(৭) চতুষ্পদ জন্তুরা তোমাদের বোঝা এমন শহর পর্যন্ত বহন করে নিয়ে যায়, যেখানে তোমরা অনেক কষ্ট ছাড়া কিছুতেই পৌঁছাতে পারতে না। নিশ্চয় তোমাদের প্রভু অতি স্নেহময়, অতি দয়ালু। (১৬. আন নাহল : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা, যেনো তোমরা তাদের পিঠে আরোহণ করতে পারো এবং শোভার জন্যে এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি এমন বহু জিনিস সৃষ্টি করেন, যা তোমরা জানো না। (১৬. আন নাহল : ৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৯) সরল পথ দেখানো আল্লাহর উপরে দায়িত্ব আর এই পথগুলোর মধ্যে কিছু বাঁকা পথ রয়েছে। আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে তিনি তোমাদের সবাইকে সরল পথে পরিচালিত করতেন। (১৬. আন নাহল : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন। বৃষ্টির পানি থেকে তোমাদের জন্যে খাবার পানি তৈরী হয়। আর বৃষ্টির পানি থেকেই উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, যেনো তোমরা সেখানে পশু চরাতে পারো। (১৬. আন নাহল : ১০)
- ব্যাখ্যা
(১১) আল্লাহ পানি দ্বারা তোমাদের জন্যে শস্য, জলপাই, খেজুর, আঙ্গুর ও সর্বপ্রকার ফল উৎপাদন করেন। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা চিন্তা করে। (১৬. আন নাহল : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) আল্লাহ তোমাদের জন্যে রাত, দিন, সূর্য আর চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। তারকা সমূহ তাঁর আদেশে কর্মরত রয়েছে। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন আছে, যারা আল্লাহ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে। (১৬. আন নাহল : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) যা কিছু তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীর মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন, ঐ সবের রং বিচিত্র ধরণের। নিশ্চয় এর মধ্যে ঐ জাতির জন্যে নিদর্শন আছে, যারা চিন্তা করে। (১৬. আন নাহল : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের জন্যে সমুদ্রকে কাজে লাগিয়ে দিয়েছেন, যেনো তা থেকে তোমরা মাছ খেতে পারো। সমুদ্র থেকে তোমরা এমন অলঙ্কার বের করতে পারো, যা তোমরা পরিধাণ করো। তোমরা সমুদ্রের মধ্যে দেখতে পাও যে, জাহাজ পানি চিরে চলাচল করে। যেনো তোমরা তাঁর অনুগ্রহকে অনুসন্ধান করো আর যেনো তোমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। (১৬. আন নাহল : ১৪)
- ব্যাখ্যা