(৪৩) তারা তাদের মাথাগুলো উপরে তুলে শাস্তির ভয়ে দৌড়াতে থাকবে। তাদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে আসবে না আর শাস্তির ভয়ে তাদের অন্তর সমূহ শূণ্য হয়ে যাবে। (১৪. ইব্রাহীম : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
(৪৪) আপনি মানুষকে ঐ দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন তাদের উপরে শাস্তি ঘনিয়ে আসবে। যারা ইতিপূর্বে অন্যায় করেছিলো, তখন তারা বলবে যে, “হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে অল্প কিছুকাল অবকাশ দিন, যেনো আমরা আপনার ডাকে সাড়া দিতে পারি এবং আমরা রসূলগণকে অনুসরণ করতে পারি।” আল্লাহ বলবেন, “কি! তোমরা কি ইতিপূর্বে এমন ছিলে না যে, তোমরা শপথ করতে, তোমাদের জন্যে কোনো শেষ পরিনতি নেই? (১৪. ইব্রাহীম : ৪৪)
- ব্যাখ্যা
(৪৫) তোমরা তাদের বাসভূমির মধ্যে বসবাস করতে, যারা নিজেদের উপরে অন্যায় করেছিলো। তোমাদের কাছে এটি সুস্পষ্ট করা হয়েছিলো যে, আমি তাদের প্রতি কিরূপ ব্যবহার করেছিলাম। আমি ইতিপূর্বে তোমাদের কাছে তাদের সব দৃষ্টান্ত সমূহ বর্ণনা করেছিলাম।” (১৪. ইব্রাহীম : ৪৫)
- ব্যাখ্যা
(৪৬) অবশ্যই তারা ভীষণ চক্রান্ত করেছিলো। আল্লাহর কাছে তাদের চক্রান্ত রক্ষিত আছে। যদিও তাদের চক্রান্ত এমন ছিলো যে, তার দ্বারা পাহাড় সমূহ টলে যেতো। (১৪. ইব্রাহীম : ৪৬)
- ব্যাখ্যা
(৪৭) অতএব আপনি মনে করবেন না যে, আল্লাহ তাঁর রসূলগণের সাথে কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গ করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী। (১৪. ইব্রাহীম : ৪৭)
- ব্যাখ্যা
(৪৮) কিয়ামতের দিন এ পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে পরিবর্তন করা হবে ও আকাশ সমূহকেও পরিবর্তন করা হবে। আর মানুষ ও জ্বিনকে সর্বশক্তিমান এক আল্লাহর সামনে উপস্থিত করা হবে। (১৪. ইব্রাহীম : ৪৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৫২) এই কুরআন হচ্ছে মানুষের জন্যে এক বার্তা, যেনো তারা এ কুরআন দ্বারা ভীত হয়, যেনো তারা জেনে নেয় যে, কেবল মাত্র আল্লাহই একক উপাস্য আর যেনো জ্ঞানের অধিকারীরা কুরআনকে নিয়ে চিন্তা করে। (১৪. ইব্রাহীম : ৫২)
- ব্যাখ্যা