(৩৪) যে সকল বস্তু তোমরা তাঁর কাছে চেয়েছো, তার প্রত্যেকটিই তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন। যদি তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ সমূহ গণনা করো, তবে তোমরা তা গুণতে সক্ষম হবে না। নিশ্চয় মানুষ আল্লাহর প্রতি অতি অন্যায়কারী, অতি অকৃতজ্ঞ। (১৪. ইব্রাহীম : ৩৪)
- ব্যাখ্যা
(৩৫) যখন ইব্রাহীম বলেছিলেন, “হে আমার প্রভু! আপনি এ মক্কা শহরকে নিরাপদ করে দিন আর আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে মূর্তিপূজা থেকে রক্ষা করুন। (১৪. ইব্রাহীম : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) হে আমার প্রভু! নিশ্চয় অবিশ্বাসীরা মানুষের মধ্যে অনেককে বিপথগামী করেছে। সুতরাং যে আমাকে অনুসরণ করে, তবে নিশ্চয় সে আমার দলের অন্তর্ভুক্ত। আর যে আমাকে অমান্য করে, তবে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (১৪. ইব্রাহীম : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৭) হে আমাদের প্রভু, নিশ্চয় আমি আমরা সন্তানদের মধ্যে অনেককে আপনার পবিত্র কাবা ঘরের নিকটে এমন উপত্যকায় বসবাস করিয়েছি, যা চাষাবাদের উপযোগী নয়। হে আমাদের প্রভু, আমি এ কারণে তা করেছি, যেনো তারা নামায প্রতিষ্ঠিত করে। সুতরাং আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি অনুরাগী বানিয়ে দিন। আর তাদেরকে ফল-ফসল দিয়ে জীবিকা দান করুন, যেনো তারা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। (১৪. ইব্রাহীম : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৮) হে আমাদের প্রভু, নিশ্চয় আপনি জানেন, যা কিছু আমরা গোপন করি ও যা কিছু আমরা প্রকাশ করি। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের মধ্যে আল্লাহর কাছে কোনো কিছুই গোপন নয়। (১৪. ইব্রাহীম : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
(৩৯) সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যেই, যিনি আমাকে এই বৃদ্ধ বয়েসে ইসমাঈল ও ইসহাক দান করেছেন। নিশ্চয় আমার প্রভু প্রার্থনা শুনে থাকেন। (১৪. ইব্রাহীম : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
(৪০) হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ও আমার বংশধরদের মধ্যে থেকে অনেক মানুষকে নামায প্রতিষ্ঠাকারী বানিয়ে দিন। হে আমাদের প্রভু! আপনি আমার প্রার্থনাকে গ্রহণ করুন। (১৪. ইব্রাহীম : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪২) অন্যায়কারীরা যা করে, ঐ সম্পর্কে আপনি আল্লাহকে কখনোই বেখবর মনে করবেন না। নিশ্চয় কেবল মাত্র তিনি তাদেরকে ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যে দিন চোখ সমূহ শাস্তির ভয়ে স্থির হয়ে যাবে। (১৪. ইব্রাহীম : ৪২)
- ব্যাখ্যা