(১৭০) যখন অবিশ্বাসীদেরকে বলা হয় যে, “আল্লাহ যে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন, তোমরা ঐ কুরআনের অনুসরণ করো।” তখন তারা বলে, “বরং, আমরা ঐ ধর্মের অনুসরণ করি, যার উপরে আমরা আমাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে পেয়েছি।” যদিও কি তাদের পিতৃ-পুরুষরা এমন ছিলো যে, ওরা কিছুই বুঝতো না ও ওরা সরল পথপ্রাপ্ত ছিলো না তবুও কি তারা ওদেরকে অনুসরণ করবে? (২. আল বাক্বারাহ : ১৭০)
- ব্যাখ্যা
(১৭১) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে তাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঠিক এ রকম, যেমন কোনো ব্যক্তি এমন পশুকে ডাকে, যে পশু আওয়াজ ও চিৎকার ছাড়া অন্য কিছুই শুনে না। অবিশ্বাসীরা বধির, বোবা, অন্ধ, সুতরাং তারা কিছুই বুঝে না। (২. আল বাক্বারাহ : ১৭১)
- ব্যাখ্যা
(১৭২) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা ঐ পবিত্র বস্তু থেকে আহার করো, যা আমি তোমাদেরকে জীবিকা স্বরূপ খেতে দিয়েছি। আর তোমরা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হও, যদি তোমরা কেবল মাত্র তাঁরই উপাসনা করে থাকো। (২. আল বাক্বারাহ : ১৭২)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭৩) আল্লাহ তোমাদের উপরে কেবল মাত্র নিষিদ্ধ করেছেন, মৃত জন্তু, রক্ত, শুকরের গোস্ত আর এমন জন্তুর গোস্ত যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবাই করা হয়েছে। কিন্তু যে ব্যক্তি ক্ষুধার চাপে পড়েছে, অথচ আল্লাহর প্রতি অবাধ্য হয়নি অথবা সীমালঙ্ঘন করেনি, তবে তার উপরে কোনো পাপ হবে না যদি সে আহার করে। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (২. আল বাক্বারাহ : ১৭৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭৪) নিশ্চয় যারা ধর্ম গ্রন্থ থেকে ঐ বিষয় লুকিয়ে রাখে, যা আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন আর তারা এর বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে, তারা তাদের পেটের মধ্যে আগুন ছাড়া অন্য কিছুই ভরে না। কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না ও তাদেরকে শুদ্ধও করবেন না আর তাদের জন্যে বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। (২. আল বাক্বারাহ : ১৭৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭৫) এরাই তারা, যারা সঠিক পথের বিনিময়ে ভ্রান্তপথ ও ক্ষমার পরিবর্তে শাস্তি কিনে নিয়েছে। সুতরাং দোযখের আগুনের প্রতি তাদের কতো ধৈর্য্য! (২. আল বাক্বারাহ : ১৭৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৭৬) এটা এজন্যে যে, আল্লাহ ধর্ম গ্রন্থ রূপে সত্য কুরআন অবতীর্ণ করেছেন আর যারা গ্রন্থের মধ্যে মতবিরোধ করে, অবশ্যই তারা জিদের মধ্যে রয়েছে ও সরল পথ থেকে অনেক দূরে চলে গেছে। (২. আল বাক্বারাহ : ১৭৬)
- ব্যাখ্যা