(২৫) ঐ পবিত্র গাছ তার প্রভুর নির্দেশে প্রত্যেক মুহুর্তে ফল দান করে। আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্ত সমূহ বর্ণনা করেন, যেনো তারা চিন্তা করে। (১৪. ইব্রাহীম : ২৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৬) আর খারাপ বাক্যের উপমা হলো খারাপ গাছের মতো। এ খারাপ গাছকে মাটির উপর থেকে সহজেই উপড়ে ফেলা যায়। এ খারাপ গাছের কোন স্থিতি নেই। (১৪. ইব্রাহীম : ২৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৭) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, তাদেরকে আল্লাহ পার্থিব জীবনে ও পরকালে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন। আর আল্লাহ অন্যায়কারীদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা, তাই করে থাকেন। (১৪. ইব্রাহীম : ২৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(২৮) আপনি কি তাদের দিকে দেখেননি, যারা আল্লাহর অনুগ্রহের পরিবর্তে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আর তাদের জাতিকে দোযখের ঘরে নামিয়ে দেয়? (১৪. ইব্রাহীম : ২৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩০) তারা আল্লাহর জন্যে সমকক্ষ স্থির করেছে, যেনো তারা মানুষকে তাঁর পথ থেকে পথভ্রষ্ট করতে পারে। আপনি বলুন, “তোমরা মজা উপভোগ করে নাও। তারপর নিশ্চয় তোমাদেরকে আগুনের দিকেই ফিরে যেতে হবে।” (১৪. ইব্রাহীম : ৩০)
- ব্যাখ্যা
(৩১) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে, আপনি আমার এমন বান্দাদেরকে বলে দিন, তারা নামায প্রতিষ্ঠিত করুক ও আমি তাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, ঐ জীবিকা থেকে তারা ঐ দিন আসার আগেই গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করুক, যে দিন এমন হবে যে, তার মধ্যে কোনো বেচা-কেনা থাকবে না আর কোনো বন্ধুত্বও থাকবে না। (১৪. ইব্রাহীম : ৩১)
- ব্যাখ্যা
(৩২) তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল সৃষ্টি করেছেন। তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। তারপর তিনি এ পানি দ্বারা তোমাদের জন্যে জীবিকা স্বরূপ বিভিন্ন ফল উৎপন্ন করেন। তিনি জাহাজকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন, যেনো তাঁর আদেশে সমুদ্রের মাঝে জাহাজ চলাচল করে। আর তিনি নদী সমূহকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। (১৪. ইব্রাহীম : ৩২)
- ব্যাখ্যা
(৩৩) আর তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন, উভয়ই অবিরাম এক নিয়মে চলমান। আর তিনি রাত ও দিনকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন। (১৪. ইব্রাহীম : ৩৩)
- ব্যাখ্যা