(১৯) আপনি কি দেখেননি যে, আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলকে যথাযথ ভাবে সৃষ্টি করেছেন? তিনি যদি ইচ্ছা করেন, তাহলে তোমাদেরকে সরিয়ে দিতে পারেন ও এক নতুন সৃষ্টি নিয়ে আসতে পারেন। (১৪. ইব্রাহীম : ১৯)
- ব্যাখ্যা
(২১) তারা সবাই আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে, তখন দুর্বলেরা তাদেরকে বলবে যারা অহঙ্কার করতো, “নিশ্চয় আমরা তো তোমাদের অনুগামী ছিলাম, সুতরাং তোমরা কি আল্লাহর শাস্তির কিছু অংশ আমাদের থেকে সরিয়ে নিতে পারো?” ঐ অহঙ্কারীরা বলবে, “আল্লাহ যদি আমাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করতেন, তবে আমরাও তোমাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করতাম। আমরা এখন ধৈর্য্যধারণ করি বা না করি আমাদের জন্যে সবই সমান। আমাদের জন্যে এখন কোনো মুক্তি নেই।” (১৪. ইব্রাহীম : ২১)
- ব্যাখ্যা
(২২) যখন সব কাজের মীমাংসা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবে, “নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য অঙ্গীকার দিয়েছিলেন আর আমিও তোমাদেরকে অঙ্গীকার দিয়েছিলাম। তারপর আমি তোমাদের সাথে অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপরে তো আমার কোনো ক্ষমতা ছিলো না, তবে কেবল মাত্র এ ব্যতীত যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছিলাম, তারপর তোমরা আমার প্রতি সাড়া দিয়েছিলে। সুতরাং তোমরা আমাকে দোষ দিও না, বরং তোমরা তোমাদের নিজেদেরকেই দোষ দাও। আজ আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। আর তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতিপূর্বে তোমরা আমাকে আল্লাহর সাথে যে অংশী করেছিলে, নিশ্চয় আমি তা অস্বীকার করি।” নিশ্চয় যারা অন্যায়কারী তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। (১৪. ইব্রাহীম : ২২)
- ব্যাখ্যা
(২৩) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাদেরকে এমন বেহেশতে প্রবেশ করানো হবে, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়, তারা সেখানে তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে স্থায়ীভাবে থাকবে। সেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে, “তোমাদের উপরে শান্তি বর্ষিত হোক।” (১৪. ইব্রাহীম : ২৩)
- ব্যাখ্যা
(২৪) আপনি কি লক্ষ্য করেননি যে, আল্লাহ পবিত্র বাক্য সম্পর্কে কেমন উপমা বর্ণনা করেছেন, পবিত্র বাক্য হলো পবিত্র গাছের মতো। ঐ পবিত্র গাছের শিকড় মজবুত এবং তার শাখা আকাশের মধ্যে বিস্তৃত। (১৪. ইব্রাহীম : ২৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস