(১১) তাদের রসূলগণ তাদেরকে বলেছিলেন, “আমরাও তোমাদের মতো মানুষ, কিন্তু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে থেকে যার উপরে ইচ্ছা অনুগ্রহ করে থাকেন। আমাদের কাজ নয় যে, আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত আমরা তোমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নিয়ে আসি। বিশ্বাসীদের উচিত আল্লাহর উপরেই ভরসা করা। (১৪. ইব্রাহীম : ১১)
- ব্যাখ্যা
(১২) আমাদের জন্যে কি কারণ থাকতে পারে যে, আমরা আল্লাহর উপরে ভরসা করবো না, অথচ নিশ্চয় তিনিই আমাদেরকে ঐ পথে চালিত করেছেন, যে পথে আমাদের চলা উচিত। তোমরা আমাদেরকে যে কষ্ট দিচ্ছো, তার উপরে আমরা অবশ্যই ধৈর্য্যধারণ করবো। ভরসাকারিদের আল্লাহর উপরেই ভরসা করা উচিত।” (১৪. ইব্রাহীম : ১২)
- ব্যাখ্যা
(১৩) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তারা তাদের রসূলগণকে বলেছিলো, “আমরা অবশ্যই তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দিবো অথবা তোমাদেরকে আমাদের ধর্মের মধ্যে ফিরে আসতেই হবে।” তখন ঐ রসূলদের কাছে তাঁদের প্রভু ওহী প্রেরণ করেছিলেন যে, “আমি অন্যায়কারীদেরকে অবশ্যই ধ্বংস করবো। (১৪. ইব্রাহীম : ১৩)
- ব্যাখ্যা
(১৪) আর আমি তাদের পরে তোমাদেরকে অবশ্যই দেশে প্রতিষ্ঠিত করবো। এ প্রতিদান তার জন্যে, যে আমার সামনে দাঁড়াতে ভয় করে ও আমার শাস্তির অঙ্গীকারকে ভয় করে।” (১৪. ইব্রাহীম : ১৪)
- ব্যাখ্যা
(১৭) সে ঢোক গিলে ঐ গলিত পূঁজের পানি পান করবে। সহজে সে তা গলার ভিতরে প্রবেশ করাতে পারবে না। প্রত্যেক জায়গা থেকে তার কাছে মৃত্যু আসবে, কিন্তু সে মরবে না। আর তার পিছনে সর্বদাই কঠোর শাস্তি থাকবে। (১৪. ইব্রাহীম : ১৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১৮) যারা তাদের প্রভুকে অস্বীকার করে তাদের সৎকাজের উপমা হচ্ছে এমন যে, তাদের সৎকাজ সমূহ ছাইয়ের মতো, যার উপর দিয়ে ঝড়ের দিনে প্রবল বাতাস প্রবাহিত হয়। যে সৎকাজ তারা অর্জন করেছে, ঐ সৎকাজের কোনো অংশের উপরে পরকালে তাদের কোনো অধিকার থাকবে না। এটাই হচ্ছে দুরবর্তী পথভ্রষ্টতা। (১৪. ইব্রাহীম : ১৮)
- ব্যাখ্যা