(৬) যখন মূসা তাঁর স্বজাতিকে বললেন, “তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহকে স্মরণ করো, যখন তিনি তোমাদেরকে ফিরআউনের জাতির শাস্তি থেকে উদ্ধার করেছিলেন। তারা তোমাদেরকে অত্যন্ত নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি দিতো। তারা তোমাদের পুত্রদেরকে হত্যা করতো ও তোমাদের কন্যাদেরকে জীবিত রাখতো। আর এ শাস্তির মধ্যে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে, তোমাদের জন্যে বিরাট পরীক্ষা ছিলো।” (১৪. ইব্রাহীম : ৬)
- ব্যাখ্যা
(৭) যখন তোমাদের প্রভু ঘোষণা করলেন যে, “যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তাহলে আমি অবশ্যই তোমাদেরকে আরো অনুগ্রহ বাড়িয়ে দিবো আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও তাহলে তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় আমার শাস্তি অতি কঠোর।” (১৪. ইব্রাহীম : ৭)
- ব্যাখ্যা
(৮) মূসা বলেছিলেন, “তোমরা ও পৃথিবীর মধ্যে যারা আছে, সবাই যদি আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ হও, তাহলে তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, প্রশংসিত।” (১৪. ইব্রাহীম : ৮)
- ব্যাখ্যা
(৯) তোমাদের কাছে কি নূহের, আদ ও ছামূদ জাতির ও তাদের পরবর্তী জাতিদের সংবাদ পৌঁছেনি, যারা তোমাদের পূর্বে ছিলো? তাদের বিষয়ে আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ ভালো জানে না। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিলেন। তারপর ঐ অবিশ্বাসীরা তাদের হাত মুখে রেখে দিয়ে বলেছিলো যে, “যা কিছু দিয়ে তোমাদেরকে প্রেরণ করা হয়েছে, নিশ্চয় আমরা তা অবিশ্বাস করি আর যে পথের দিকে তোমরা আমাদেরকে ডাকছো, ঐ পথ সম্পর্কে আমরা সন্দেহের মধ্যে রয়েছি।” (১৪. ইব্রাহীম : ৯)
- ব্যাখ্যা
(১০) তাদের রসূলগণ বলেছিলেন, “আল্লাহ সম্পর্কে কি তোমাদের কোনো সন্দেহ আছে, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের আদি স্রষ্টা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন, তোমাদেরকে তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করার জন্যে। তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিবেন।” তারা বললো, “তোমরা তো আমাদের মতোই মানুষ! তোমরা চাও যে, আমাদেরকে ঐ উপাস্যগণ থেকে বিরত রাখতে, যার উপাসনা আমাদের পিতৃ-পুরুষরা করেছিলো। অতএব তোমরা আমাদের কাছে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসো।” (১৪. ইব্রাহীম : ১০)
- ব্যাখ্যা