(৪৩) যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে তারা বলে, “আপনি আল্লাহর রসূল নন।” আপনি বলুন, “আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী রূপে আল্লাহই যথেষ্ট আর ঐ ব্যক্তি সাক্ষীরূপে যথেষ্ট, যার কাছে ধর্ম গ্রন্থের জ্ঞান রয়েছে।” (১৩. আর রাদ : ৪৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১) আলিফ, লাম, র। কুরআন একটি গ্রন্থ, যা আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যেনো আপনি মানুষকে তাদের প্রভু আল্লাহর অনুমতিক্রমে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে ও মহা শক্তিশালী, প্রশংসিত আল্লাহর পথে নিয়ে আসেন। (১৪. ইব্রাহীম : ১)
- ব্যাখ্যা
(২) নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুই আল্লাহর জন্যে। আর তোমরা জেনে রেখো যে, অবিশ্বাসীদের জন্যে কঠিন শাস্তির বিপদ রয়েছে। (১৪. ইব্রাহীম : ২)
- ব্যাখ্যা
(৩) যারা পরকালের চাইতে পার্থিব জীবনকে বেশী ভালোবাসে ও আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা দান করে ও আল্লাহর পথে বক্রতা অনুসন্ধান করে, এরাই বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে আর তারা আল্লাহর পথকে ভুলে গিয়ে বহু দূরে পড়ে আছে। (১৪. ইব্রাহীম : ৩)
- ব্যাখ্যা
(৪) আমি সকল রসূলকে তাঁর স্বজাতির ভাষা দিয়ে প্রেরণ করেছি, যেনো তিনি তাদের জন্যে আল্লাহর বাণীকে সুস্পষ্ট ভাবে প্রকাশ করতে পারেন। তারপর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা, পথভ্রষ্ট করেন ও যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। বস্তুত তিনি মহা শক্তিশালী, প্রজ্ঞাময়। (১৪. ইব্রাহীম : ৪)
- ব্যাখ্যা
(৫) অবশ্যই আমি মূসাকে আমার নিদর্শন সমূহ দিয়ে প্রেরণ করেছিলাম, এই বলে যে, “আপনি আপনার স্বজাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনুন। আর আপনি তাদেরকে আল্লাহর অনুগ্রহ ও শাস্তির দিনগুলোর মাধ্যমে উপদেশ দিন।” নিশ্চয় এ সকল ঘটনার মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্য্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (১৪. ইব্রাহীম : ৫)
- ব্যাখ্যা