(৩৫) পরহেযগারদের জন্যে যে বেহেশতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তার উপমা হচ্ছে এমন যে, তার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়, তার ফল সমূহ ও ছায়া চিরস্থায়ী। যারা আল্লাহকে ভয় করে, এই বেহেশত হচ্ছে তাদের প্রতিফল। আর অবিশ্বাসীদের প্রতিফল হচ্ছে আগুন। (১৩. আর রাদ : ৩৫)
- ব্যাখ্যা
(৩৬) যাদেরকে আমি ধর্ম গ্রন্থ দিয়েছি, তারা আপনার প্রতি যে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, তা শুনে আনন্দিত হয়। আর তাদের মধ্যে এমনো ব্যক্তি আছে, যে ব্যক্তি এ কুরআনের কিছুটা অস্বীকার করে। আপনি বলুন, “আমাকে কেবল মাত্র এরূপ আদেশ দেওয়া হয়েছে যে, আমি আল্লাহর উপাসনা করবো আর তাঁর সাথে আমি কোনো অংশীদার করবো না। আমি তাঁর দিকেই আহবান করি আর তাঁর কাছেই আমাকে ফিরে যেতে হবে।” (১৩. আর রাদ : ৩৬)
- ব্যাখ্যা
(৩৭) এইভাবে আমি এ কুরআনকে আরবী ভাষায় বিধান রূপে অবতীর্ণ করেছি। আপনার কাছে জ্ঞানের মধ্যে থেকে যা কিছু পৌঁছেছে তারপরেও আপনি যদি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেন, তাহলে আপনি আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে কোনো অভিভাবক ও কোনো রক্ষাকারী পাবেন না। (১৩. আর রাদ : ৩৭)
- ব্যাখ্যা
(৩৮) অবশ্যই আপনার পূর্বে আমি অনেক রসূল প্রেরণ করেছিলাম। আমি তাঁদের জন্যে স্ত্রী ও সন্তান দিয়েছিলাম। কোনো রসূলের সাধ্য ছিলো না যে, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তিনি কোনো নিদর্শন উপস্থিত করবেন। প্রত্যেক যুগের জন্যে প্রত্যেক রসূলকে, আল্লাহর ধর্ম গ্রন্থ দেওয়া হয়েছে। (১৩. আর রাদ : ৩৮)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৩৯) আল্লাহ যা ইচ্ছা গ্রন্থ থেকে বিলুপ্ত করেন ও প্রতিষ্ঠিত রাখেন। আর মূল ধর্ম গ্রন্থ আল্লাহর কাছেই লাওহে মাহফূজে রয়েছে। (১৩. আর রাদ : ৩৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৪০) আমি তাদের সাথে যে শাস্তির অঙ্গীকার করেছি, তার কিছুটা যদি আমি আপনাকে দেখিয়ে দেই অথবা আমি আপনাকে উঠিয়ে নেই, তবুও অবিশ্বাসীরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করবে না। আপনার উপরে কেবল মাত্র দায়িত্ব হচ্ছে কুরআনকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া আর আমার উপরে দায়িত্ব হচ্ছে হিসাব নেওয়া। (১৩. আর রাদ : ৪০)
- ব্যাখ্যা
(৪১) তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে সঙ্কুচিত করে নিয়ে আসছি? আল্লাহ যা ইচ্ছা নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশকে প্রতিহতকারী কেউ নেই। বস্তুত আল্লাহ হিসাব গ্রহণের ব্যাপারে দ্রুত। (১৩. আর রাদ : ৪১)
- ব্যাখ্যা
(৪২) এদের পূর্বে যারা ছিলো, তারাও চক্রান্ত করেছিলো। অথচ সকল চক্রান্ত আল্লাহর হাতেই ন্যাস্ত রয়েছে। প্রত্যেক ব্যক্তি যা কিছু অর্জন করে, আল্লাহ তা জানেন। অবিশ্বাসীরা শীঘ্রই জানতে পারবে যে, পরকালে কার জন্যে উৎকৃষ্ট আবাস রয়েছে। (১৩. আর রাদ : ৪২)
- ব্যাখ্যা